ফেব্রুয়ারি ২০১২


এই সংখ্যায় ‘উত্তরবঙ্গে ট্রেকিং’
মালদহের মাটিতে পা দেওয়া মানেই ‘আপনার পা পড়িল উত্তরবঙ্গে’। ভৌগলিক ভাবে সেটা যেমন সত্যি, আবার সত্যি নয়ও। কেন না মালদহের আগে বা পরে প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে খুব একটা হেরফের সাধারণ চোখে ধরা পড়ে না! অথচ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার দার্জিলিঙের শিলিগুড়ি শহর থেকে দু’পা এগিয়ে গেলেই পরিবেশটা আমূল পাল্টে যায়। হাল্কা অরণ্য, গভীর অরণ্য, মন খারাপ করা অরণ্য, অভয়ারণ্য অথবা ছোট পাহাড়, উঁচু-নিচু পাহাড়, ঢাউস পাহাড়, ন্যাড়া পাহাড়, বরফের পাহাড়, সবজে পাহাড়— এ সবই পাওয়া যায় মনের নাগালে। আর তার সঙ্গে এক্কেবারে বিনামূল্যে যেটি পাওয়া যায়, তার নাম, নৈঃশব্দ্য! মাঝে মাঝে পাগলা নদীর বয়ে চলার আওয়াজ, আর তার সঙ্গে সঙ্গতে আঞ্চলিক নানা প্রাণীর নিজস্ব শব্দ। সমতল ও অসমতলের এই মিশ্রণই আসলে ভ্রমণ-প্রিয় মানুষের কাছে ‘উত্তরবঙ্গ’ বলে পরিচিত। চেনা সেই বঙ্গের অচেনা কিছু অঙ্গে ‘ট্রেক’ অর্থাত্ ‘দুর্গম যাত্রা’ই এ সংখ্যার প্রতিপাদ্য।


আপনার কলমে


বক্সা টাইগার
রিজার্ভ প্রজেক্ট
উত্তরবঙ্গের প্রাচীন জনপদ বক্সাদুয়ার। রয়েছে ঐতিহাসিক দুর্গ। কিন্তু আসল টান ‘ট্রেকিং’-এ। প্রাচীন শাল, সেগুন, জারুল, চাপরাশির জঙ্গল ভেদ করে পথ চলার রোমাঞ্চ কেবলমাত্র সেই-ই জানে যে গেছে এই পথে। ভারত-ভুটান সীমান্তরেখা দেখা না গেলেও, চোখে পড়ে ভুটান পাহাড়। ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত তাঁর কলমে বর্ণনা দিলেন ইতিহাস সমৃদ্ধ সেই ট্রেক-রুটের।

‘শীতল সবুজের
পথ বেয়ে’
গ্রীষ্মকাল, তবুও সারাটা পথেই সবুজের সমারোহ। পাহাড়ের কোলে তাঁবুতে পাথর দিয়ে তৈরি আসবাব। অনেক দূরে জনপদ ফেলে, পাথুরে নদী, ঝুলন্ত সেতু পেরিয়ে তবে আসে ‘ট্রেকার্স হাট’। শিলিগুড়ি থেকে ঘন্টা আড়াই তিনেকের পথ গেলেই সুনতালেখোলা। আরও এগোলে ‘রকি আইল্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প’— যাকে আগলে রেখেছে ‘কিতাপ সিং’ পাহাড় আর মূর্তি নদী। উত্তরবঙ্গের আরও এক গল্প শোনালেন শৈবাল দাস


‘‘চিত্রকূট ফল্স-এর সুবিশাল জলরাশি নীচে পড়ে গড়ে তুলেছে রামধনু... বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক গুহা আর তার ভেতরে স্ট্যালাকটাইট-স্ট্যালগমাইটের প্রাকৃতিক ভাস্কর্য। মনে হচ্ছিল জুল ভার্নের ‘জার্নি টু দ্য সেন্টার অফ দ্য আর্থ’-এর নায়ক হয়ে পৃথিবীর কেন্দ্র খুঁজতে বেরিয়েছি।’’ বিশাখাপত্তনমের আরাকু ভ্যালির এমনই সব অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন জয়দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

ঘুরতে যাব ভাবলেই যে বেরিয়ে পড়া যায়, তা ঠিক সব সময় হয়ে ওঠে না। নিশ্চিন্তে জায়গা-বদলের জন্য অবশ্য প্রয়োজন কিছু তথ্য জানার। আর তা যদি স্বয়ং লেখকের কলম থেকেই জানা যায়, তা হলে তো কথাই নেই। হাওয়াবদলে ‘নিত্য-প্রয়োজনীয়’ সেই সব তথ্য জানতে পড়ুন


ক্যামেরাও কথা বলে। সেই রং-বেরঙের ছবির সাম্রাজ্যেও অবাধ বিচরণ হাওয়াবদল-এর।
রঙিন মুহূর্তগুলিকে একের পর এক সাজিয়ে শোনানো হবে বেড়ানোর অন্যরকম গল্প।
এই সংখ্যায়
কৃষ্ণেন্দু পালিত-এর ক্যামেরায় হেমকুণ্ড সাহিব সরোবর-এর গল্প।


মাঝ-মাসের সংযোজন
এখনও রয়ে গেছে শীতের আলতো ছোঁয়া! যদিও আর মাত্র কয়েক দিন। চলে যাওয়ার আগে শীতের সব্জি দিয়েই তাই
সেজে উঠুক আপনার রান্নাঘর-এ। ঘটে যাক স্বাদবদল। সঙ্গে অন্য রকমের বিভিন্ন খবর নিয়ে সংবাদের হাওয়াবদল

 
‘হাওয়াবদল’ আপনার কেমন লাগছে? লেখা, ছবি ও অন্যান্য বিষয়ে আপনার মতামত জানান নীচের ঠিকানায়:
হাওয়াবদল
আনন্দবাজার পত্রিকা,
ইন্টারনেট সংস্করণ
৬ প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিট
কলকাতা ৭০০০০১
ই-মেল করুন
haoabadal@abp.in অথবা haoabadal@gmail.com
 

এ যাবৎ ২০১২
বিদেশ বিভুঁই
নরওয়ে, প্যারিস, সান ফ্রান্সিসকো

রোজের আনন্দবাজারএ বারের সংখ্যা • সংবাদের হাওয়াবদল স্বাদবদল • আপনার রান্নাঘর • পুরনো সংস্করণ