কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ
তৃণমূলে যোগ দিলেন জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন যুব কংগ্রেস সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়, জেলা কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ সন্দীপ মাহাতো-সহ একাধিক কংগ্রেস নেতা সমর্থকরা। শহরের বিশিষ্ট আইনজীবী বিদ্যুৎ ঘোষ, পুরসভার প্রাক্তন ফরওয়ার্ড ব্লকের ভাইস চেয়ারম্যান অপর্ণা ভট্টাচার্যও এ দিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।
শহরের থানামোড় এলাকায় এদিন তৃণমূলের প্রকাশ্য সভায় এই দলবদল অনুষ্ঠান হয়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী গৌতম দেব সভায় উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী তথা তৃণমূলের উত্তরবঙ্গ কোর কমিটির চেয়ারম্যান গৌতমবাবু বলেন, “এ দিন যাঁরা দলে যোগ দিলেন সকলকেই স্বাগত। মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন এবং মানুষেরর পাশে থেকে কাজ করার আর্দশে অনুপ্রাণিত হয়ে ওঁরা দলে যোগ দিয়েছেন। এর ফলে জলপাইগুড়ি শহর তথা জেলায় তৃণমূলের সংগঠন নিঃসন্দেহে মজবুত হবে।”
এ দিন দলবদল অনুষ্ঠানের পরে গৌতমবাবুর সঙ্গেই সৈকতবাবু সহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি চন্দন ভৌমিক, কালচিনির তৃণমূল বিধায়ক উইলসন চম্প্রামারি, দার্জিলিং জেলার তৃণমূল কোর কমিটির সদস্য মদন ভট্টাচার্য সহ অন্য নেতারা শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে দলের প্রার্থীর সমর্থনে পদযাত্রা করেছেন। আগামী ২২ নভেম্বর ওই ওয়ার্ডে উপ নির্বাচন রয়েছে।
তৃণমূলে যোগ দেওয়া সৈকতবাবু বলেন, “আজকের সভার ভিড় প্রমাণ করেছে জলপাইগুড়ি শহর কংগ্রেসের থেকে তৃণমূল দখল করেছে। আগামী দিনে জলপাইগুড়ি পুরসভা এবং লোকসভা আসন তৃণমূলের দখলে আসবে। জলপাইগুড়ি পুরসভার স্বৈরাচারী শাসন দূর করতে মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে।” এদিনের সভায় মন্ত্রী গৌতমবাবুকে জলপাইগুড়ি শহরে উড়ালপুল তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন সৈকতবাবু। এদিনের সভায় মালবাজার ব্লকের কুমলাই, রাজাডাঙা, চাপাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা এবং জলপাইগুড়ি শহরের আশেপাশের গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার কংগ্রেস নেতা কর্মীরা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
এ দিনের দলবদল অনুষ্ঠান ঘিরে সপ্তাহখানেক ধরেই প্রস্তুতি শুরু করে তৃণমূল। থানামোড় সহ অনান্য এলাকায় দলের পতাকা দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়। দলে নতুন ও পুরনোদের মধ্যে যাতে সমন্বয়ে সমস্যা না হয় তার জন্য মন্ত্রী গৌতমবাবু বলেন, “পুরোনোদের সম্মানও বজায় থাকবে আর নতুনদের প্রতিও আস্থা থাকবে। ঘটনা হল, সকলেই মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে লড়াই করবেন। মানুষের কাছে পৌঁছনোই মূল কথা। দলে সমন্বয়ের কোনও অভাব হবে না।”
জলপাইগুড়ি জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোহন বসু অবশ্য এদিন বলেছেন, “এতদিন যাঁরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে সবসময়েই গলা চড়িয়ে কথা বলত, খেন তাঁরাই আত্মসমর্পণ করলেন। আগামী পুরসভার নির্বাচনে জলপাইগুড়ির বাসিন্দারা এর জবাব দেবে। আর জলপাইগুড়ি পুরসভার উন্নয়নই বা কাজকর্ম নিয়ে মানুষই আগামীদিনে যথাযথ উত্তর দেবেন।”
জলপাইগুড়ির পাশাপাশি, মানিকগঞ্জে কংগ্রেস, সিপিএম, ফরওয়ার্ড ব্লকের ৫ নেতা-সমর্থকরা এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জ মিলন সংঘ ক্লাবের মাঠে এক পৃথক অনুষ্ঠানে জেলা কংগ্রেসের সম্পাদক অন্নকান্ত দাস, দক্ষিণ বেরুবাড়ি কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ কুলেন্দ্রনাথ রায়, সিপিএমের দক্ষিণ বেরুবাড়ির প্রাক্তন প্রধান বিনোদ চন্দ্র রায় সহ অনান্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক কল্যাণ চক্রবর্তী।

পুরনো খবর:





First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.