টুকরো খবর
পুলিশের দেহে বোমা রাখার চক্রী গ্রেফতার
মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা অরবিন্দজির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইন্দরজিৎ ওরফে কপিল যাদবকে ঝাড়খণ্ড-বিহার সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এ বছরের জানুয়ারি মাসে লাতেহারে ১১ জন নিরাপত্তা বাহিনী খুনের পিছনে ছিল সে। মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা অরবিন্দজির নির্দেশে সে-ই এক পুলিশকর্মীর মৃতদেহের মধ্যে আইইডি বিস্ফোরক ঢুকিয়ে দিয়েছিল। ইন্দরজিৎকে জেরা করে অরবিন্দজির গতিবিধি সম্পর্কে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা মনে করছেন। ছত্তীসগঢ় থেকে পালিয়ে এখন ঝাড়খণ্ড-বিহার-ওড়িশা হয়ে পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহলে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছে মাওবাদীরা। যার মধ্যে রয়েছেন অরবিন্দজি-ও। তিনি লাতেহারে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে গোয়েন্দাদের সন্দেহ। অরবিন্দজিরই ডান হাত ইন্দরজিৎ সিপিআই (মাওবাদী) সংগঠনের ইস্টার্ন রিজিওনাল ব্যুরো কোম্পানির অপারেশন কম্যান্ডার হিসেবে কাজ করত। মূলত ঝাড়খণ্ডের কোয়েল শঙ্খ এবং সীমান্ত লাগোয়া গয়াই ছিল তার কাজকর্মের এলাকা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, গত ১২ জুন লাতেহারে পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর সঙ্গে গুলি বিনিময়ে ইন্দরজিৎ আহত হয়। গত কাল রাতে পটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তাকে ধরে ফেলে পুলিশ। নিরাপত্তা বাহিনীর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছরের জানুয়ারিতে ঝাড়খণ্ডে মাওবাদীদের গুলিতে ১৩ জন পুলিশ কর্মী নিহত হন। সেখানেও জড়িত ছিল ইন্দরজিৎ। এ দিকে গত মাসে ছত্তীসগঢ়ে জঙ্গি হানায় নিহত কংগ্রেস নেতা মহেন্দ্র কর্মার পরিবারের লোকেদের ‘জেড প্লাস’ ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

পুরনো খবর:

মোদী-রাজ্যে জমি নিয়ে আন্দোলন
জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জেরে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়তে হয়েছিল টাটা মোটরসকে। এ বার মারুতি-সহ বেশ কিছু সংস্থার জন্য জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামলেন গুজরাতের কৃষকরা। মণ্ডল-বেচারাজি এলাকায় কারখানা গড়ার কথা মারুতির। অধিগ্রহণের জন্য বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। আজ আমদাবাদের বিঠলপুর থেকে গাঁধীনগর পর্যন্ত ট্র্যাক্টর মিছিল করেন ওই এলাকার কৃষকরা। তাঁদের সঙ্গে গাড়ি ও মোটরবাইকে ছিলেন আরও অনেক সমর্থক। গাঁধীনগরে গিয়ে রাজস্ব মন্ত্রী আনন্দী পটেলকে একটি স্মারকলিপি দেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি, মণ্ডল-বেচারাজি এলাকায় জমি অধিগ্রহণের বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হোক। কারণ, কৃষকরা উর্বর জমি ছাড়তে চান না। ট্রাক্টর মিছিলের সমর্থকদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী সনৎ মেটা প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কানু কালসারিয়া ও যোজনা কমিশনের প্রাক্তন প্রধান ওয়াই কে অলগ।

ইশরাত মামলায় জেরা গোয়েন্দা কর্তাকে
ইশরাত জহান ভুয়ো সংঘর্ষ মামলায় আইবি-র স্পেশ্যাল ডিরেক্টর রাজেন্দ্র কুমারকে মঙ্গলবার জেরা করল সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর ইশরাত ও তাঁর তিন সঙ্গী হামলা চালাতে পারে এই খবর দিয়েছিলেন রাজেন্দ্রই। শুধু তা-ই নয়, ইশরাতদের সঙ্গে সংঘর্ষের আগে তাঁদের এক বার নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল গুজরাত পুলিশ। তখন রাজেন্দ্র ইশরাতকে জেরাও করেছিলেন বলে খবর। তা নিয়েই এ দিন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা প্রশ্ন করেন তাঁকে। এ দিন জেরায় রাজেন্দ্র অবশ্য জানিয়েছেন, ইশরাতদের জঙ্গি বলে তিনি যে তথ্য দিয়েছিলেন তা ঠিক ছিল। তবে তথ্য জানানো মানেই ভুয়ো সংঘর্ষে যে তিনি জড়িত ছিলেন, তা নয়।

পুরনো খবর:

কার্বি জঙ্গিদের আশ্বাসে ঘরে ফিরছেন রেংমা নাগারা
বিভিন্ন ধর্মীয় ও মানবাধিকার সংগঠনের চাপ, নাগাল্যান্ড ও অসম সরকারের হস্তক্ষেপে কার্বি আংলং ছেড়ে পালানো রেংমা নাগাদের নির্ভয়ে ঘরে ফিরে আসার আহ্বান জানাল কার্বি জঙ্গি সংগঠন কেপিএলটি। নাগাদের উপরে আক্রমণ চালাবার হুমকি ও রেংমা নাগা নেতাদের হত্যার হুমকি দিয়েছিল তারা। তার জেরে গত ৪৮ ঘণ্টায় বহু রেংমা নাগা কার্বি আংলং ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপরেই নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফিয়ু রিও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল শিন্দের দ্বারস্থ হন। কার্বি আংলং প্রশাসনও জঙ্গিদের উপরে চাপ বাড়ায়। এরপরেই কেপিএলটি সংগঠনের তরফে একটি বিবৃতি পেশ করে বলা হয়, তাদের নামে যে হুমকি দেওয়ার কথা প্রচারিত হচ্ছে তা সত্য নয়।

ডিএসপি-র গাড়ির ধাক্কায় মৃত পাঁচ
স্ত্রী ও অন্য আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন অমরাবতীর ডিএসপি দীনকর মহাজন। হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিন জনকে চাপা দিয়ে তাঁর গাড়ি ধাক্কা মারে একটি ট্রাকে। দুর্ঘটনায় ওই অফিসারের স্ত্রী-সহ পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত আরও পাঁচ। পুলিশ জানিয়েছে, পুণে-আহমেদনগর জাতীয় সড়কে সোমবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে।


First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.