টুকরো খবর
প্রতারণা, চুল কেটে শাস্তি যুবককে
প্রতারকের চুল কেটে শাস্তি দিল ট্রেন যাত্রীরা। চুল কাটার পর গণধোলাই দিয়ে তুলে দেওয়া হল পুলিশের হাতে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার মালতীপুর স্টেশন এলাকায়। বসিরহাট থানার আইসি শুভাশিস বণিক বলেন, “ধৃতের নাম উজ্জল ঘোষ। তার বাড়ি বসিরহাটের বড় জিরাফপুর গ্রামের ঘোষপাড়ায়। কাটা কাগজের দু’দিকে আসল টাকা রেখে প্রতারমা করত সে। ঘটনার দিনতাই করতে গিয়ে ট্রেন যাত্রীদের হাতেধরা পনে যায় সে।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে হাড়োয়া থেকে ফিরছিল উজ্জল। কাঁকড়া মির্জানগর স্টেশনের কাছে এক যাত্রীকে কাগজের উপর রাখা টাকা দেখিয়ে প্রতারণা করার চেষ্টা করলে সে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায়। কেটে দেওয়া হয় চুল, শুরু হয়ে যায় গণধোলাই। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ এসে তাকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি, ওই ট্রেনে কাগজের বাণ্ডিলের উপর ও নিচে টাকা রেখে প্রায়ই প্রতারণা করার অভিযোগ ছিল ট্রেনযাত্রীদের। অন্যদিকে উজ্জলের দাবি, দুই দুষ্কৃতীকে তার হাতে টাকার বাণ্ডিল দিয়ে পালিয়ে যায়। সেই টাকা সে পকেটে ঢোকাতে গেলেই ট্রেনযাত্রীদের হাতে প্রহৃত হয় সে। বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

লগ্নি সংস্থার অফিসে ভাঙচুর স্বরূপনগরে
মালিককে গ্রেফতার এবং আমানতকারীদের টাকা ফেরতের দাবিতে স্বরূপনগরের চারঘাটে ‘সানমার্গ’ নামে একটি লগ্নি সংস্থার অফিসে ভাঙচুর চালালেন এজেন্টরা। শুক্রবার দুপুরে ভাঙচুরের পরে বিক্ষোভকারীরা স্বরূপনগর থানায় গিয়ে সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর দিলীপরঞ্জন নাথের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের করেন। অন্য দিকে, এজেন্ট এবং আমানতকারীদের পক্ষে বসিরহাট থানায় সারদা ও সানমার্গ ছাড়াও সেল্ফ ট্রাস্ট নামে আর একটি লগ্নি সংস্থার কর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চারঘাটে সানমার্গের শাখায় প্রায় আট কোটি টাকা জমা রাখা হয়েছিল। ছ’মাস ধরে শাখাটি তালাবন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। অবশ্য শুধু চারঘাটই নয়, বসিরহাট মহকুমার সব শাখাই বন্ধ করে দিয়েছে ওই সংস্থা। ফলে, বিপদে পড়েছেন এজেন্ট এবং আমানতকারীরা। ওই সংস্থার পক্ষে কয়েক বার সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হলেও এজেন্টদের দাবি, আজ পর্যন্ত একটি টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি।

কাকদ্বীপে বাজ পড়ে ভস্মীভূত ১১টি দোকান
বজ্রপাতে কাকদ্বীপের শ্মশানকালী মন্দির মোড় এলাকার ১১টি দোকান ভস্মীভূত হল। বৃহস্পতিবার গভীর রাতের ঘটনা। দমকলের তিনটি ইঞ্জিন প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তত ক্ষণে দোকানগুলির যাবতীয় জিনিসপত্র পুড়ে যায়। ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝিরঝিরে বৃষ্টির মধ্যে রাত আড়াইটে নাগাদ বজ্রপাত হয়। পুড়ে যাওয়া টিনের চালের দোকানগুলির মধ্যে রয়েছে মুদিখানা, দশকর্মা, কম্পিউটার সামগ্রী ইত্যাদি। স্থানীয় লোকজন দমকলে খবর দিয়ে নিজেরাই আগুন নেভানোর প্রাথমিক কাজ শুরু করেন।
পুড়ে যাওয়া দোকান। ছবি: দিলীপ নস্কর।
ডায়মন্ড হারবার থেকে দু’টি এবং ফলতা থেকে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন কাকদ্বীপের তপন জানা। তাঁর পুড়ে যাওয়া দশকর্মার দোকানের সামনে শুক্রবার সকালে মাথায় হাত দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বলেন, “রাতেই আগুন লাগার খবর পেয়ে চলে আসি। অন্য ব্যবসায়ীরাও এসেছিলেন। কিন্তু কোনও জিনিসপত্র বাঁচাতে পারলাম না। অনেক ক্ষতি হয়ে গেল।”

বাইক দুর্ঘটনায় মৃত তিন
বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক প্রৌঢ়ার। অন্যদিকে, দুটি বাইকের সংঘর্ষে মৃত্যু হল দুই যুবকের। জখম হয়েছেন তিনজন। প্রথম ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকেলে নামখানায় নামখানা-বকখালি রোডে হসপাতাল মোড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম পূর্ণিমা দাস (৬০)। বাড়ি ওই এলাকায়। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ওই মোড়ের কাছে রাস্তা পার হচ্ছিলেন তিনি। সে সময় বকখালিগামী এক বাইক চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁকে ধাক্কা মারে। বাইকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয় দ্বারিকনগর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাতে কাকদ্বীপের ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে কালিবাঁধ মোড়ের কাছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত দু’জনের নাম রবীন পাইক (২০) এবং শেখ সামসুদ্দিন (২১)। প্রথম জনের বাড়ি কাকদ্বীপের বিশলাক্ষীপুর গ্রামে এবং দ্বিতীয় জনের বাড়ি নামখানার পাতিবুনিয়া গ্রামে। জখম পাঁচজনকে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা দু’জনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে রাজা খান নামে এক যুবকের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তিনটি বাইকই আটক করেছে পুলিশ।

যুগলে আত্মঘাতী
গাছের ডালে কাপড়ের ফাঁস লাগানো দুটি ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকালে মথুরাপুরের ঘোড়াছুট মাঠে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত দু’জনের নাম পল্লবী হালদার (১৭) এবং অমিয় নাইয়া (২২)। প্রথম জনের বাড়ি স্থানীয় রাজপুর গ্রামে এবং অপরজনের মথুরাপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মথুরাপুর স্টেশন মোড়ের কাছে একটি জেরক্স দোকানের কর্মী অমিয়ের সঙ্গে নবম শ্রেণির পড়ুয়া পল্লবীর প্রেম ছিল। অমিয় বিবাহিত এবং একটি বছর দেড়েকের পুত্রসন্তানও রয়েছে। সে কারণে ওই ছাত্রীর পরিবার ওদের মেলামেশা মেনে নিতে পারেনি। দিন সাতেক আগে থেকেই নিখোঁজ ছিল ওই দু’জন। পল্লবীর পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজের অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল মথুরাপুর থানায়। বুধবার সকালে ওই মাঠে চাষের কাজ করতে গিয়ে দেহ দুটি দেকতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে দেহ দুটি ময়না-তদন্তের জন্য ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

খুনের অভিযোগে গ্রেফতার
এক মহিলাকে খুনের অভিযোগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নির্মাণ গ্রাম থেকে পবিত্র সরকার ওরফে বোতল ওরফে কানা নামে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে খুন হন স্বপ্না সরকার। স্বরূপনগরের কৈজুড়ি গ্রামের বাসিন্দা স্বপ্না সীমান্তে পাচারের কাজে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশের দাবি। অন্যদিকে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ মোটর সাইকেল পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, বিপ্লব দত্ত ওরফে বাইচুং নামে ওই দুষ্কৃতী মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা। এ দিন তাকে মগরার কাছে কামদেবকাটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার হয়েছে।

অস্বাভাবিক মৃত্যু দুজনের
অস্বাভাবিক মৃত্যু হল এক যুবক ও এক বধূর। সোমবার সন্ধ্যায় ও মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনা দুটি ঘটেছে ডায়মন্ড হারবার এবং মথুরাপুরের গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দ্বীপায়ণ নস্কর (২৪) এবং বধূর নাম পল্লবী হালদার (১৮)। এদের বাড়ি ডায়মন্ড হারবারের বারাসত গ্রামে এবং মথুরাপুরের কালিয়াচক গ্রামে। দুটি ক্ষেত্রেই পুলিশের অনুমান, পারিবারিক অশান্তির জেরে মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী হন তাঁরা। দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্যে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

দুর্ঘটনায় মৃত্যু
কাজ করার সময়ে ইটের পাঁজা চাপা পড়ে মৃত্যু হল ইটভাটার এক মহিলা শ্রমিকের। জখম হন দু’জন। শুক্রবার দুপুরে কুলপির ইনসিংবেড়িয়া গ্রামে এই দুর্ঘটনায় মৃতের নাম মিনতি মিস্ত্রি (৩০)। তাঁর বাড়ি স্থানীয় নিশ্চিন্দপুর গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনতি আরও কয়েক জনের সঙ্গে ইট সাজিয়ে রাখার কাজ করছিলেন। পাঁজাটি ধসে পড়ায় মিনতি-সহ তিন জন চাপা পড়ে যান। তাঁদের উদ্ধার করে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা মিনতিকে মৃত ঘোষণা করেন। দেহটি ময়না-তদন্তে পাঠানো হয়েছে।

ডাকাতি, ধৃত ১
হাবরার পায়রাগাছি এলাকায় দু’টি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করল হাবরা থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে স্বরূপনগরের বালতি এলাকা থেকে কামারুজ্জামান নামে ওই দুষ্কৃতীকে ধরা হয়। তার কাছ থেকে লুঠ হওয়া একটি মোবাইন ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর রাতে ওই ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

মোটরবাইকের ধাক্কায় মৃত্যু
মোটরবাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক বালকের। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সাকিব সর্দার (১০)। বাড়ি বাদুড়িয়ার মল্লিকপুরে। গত মঙ্গলবার রাতে বাদুড়িয়ার বাদুড়িয়া-মসলন্দপুর রাস্তায় মল্লিকপুর মোড়ের কাছে একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা মারে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয় সাকিব। তাকে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সে মারা যায়। দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়া মোটর সাইকেল আরোহীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।



First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.