কাটোয়ায় প্রস্তাবিত তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়তে বাড়তি যে জমি দরকার, এনটিপিসি কর্তৃপক্ষ তা সরাসরি মালিকদের থেকে কিনে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী মণীশ গুপ্ত।
বুধবার মহাকরণে বিদ্যুৎমন্ত্রী জানান, কাটোয়ায় এনটিপিসি’র হাতে ৫০০ একরের বেশি জমি রয়েছে। আরও ৪৫০-৫০০ একর তারা মালিকদের থেকে কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এনটিপিটিসি-সূত্রের খবর: সংস্থার আধিকারিকেরা কাটোয়ায় জমি কেনার সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে সদর দফতরে পাঠাবেন। সেখান থেকে নির্দেশ এলে জমি কেনা শুরু হবে।
সরকারি সংস্থা রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম (পিডিসিএল) এবং এনটিপিসি’র যৌথ উদ্যোগে কাটোয়ায় ৮০০ মেগাওয়াটের দু’টি ইউনিট নির্মাণের ব্যাপারে সমঝোতা-চুক্তি হয়েছিল। প্রয়োজনীয় ১০৩৩ একরের মধ্যে ৫৫২ একর পিডিসিএলের হাতে তুলে দিয়েছিল বর্ধমান জেলা জমি অধিগ্রহণ দফতর। কিন্তু নতুন সরকার এসে এনটিপিসি-কে একক ভাবে প্রকল্প গড়ার প্রস্তাব দিয়ে জানিয়ে দেয়, বাকি জমির ব্যবস্থা সংস্থাকেই করে নিতে হবে।
এ দিকে এ দিন বিধানসভায় রাজ্যের বিদ্যুৎক্ষেত্র নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখে পড়েন মণীশবাবু। বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে সরকারি পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত নতুন প্রকল্পগুলি বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করলে পশ্চিমবঙ্গে বাড়তি ৭৬৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলবে।
মন্ত্রীর মতে, প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোয় আগামী পাঁচ-ছ’বছরের মধ্যে ওই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। কোন কোন সংস্থা কত মেগাওয়াটের প্রকল্প গড়ার প্রস্তাব দিয়েছে, তারও তালিকা বিধানসভায় পড়ে শোনান বিদ্যুৎমন্ত্রী। |