অবৈধ জমায়েত এবং অপরাধমূলক কাজকর্মের অভিযোগে, বৃহস্পতিবার জিএনএলএফের কালিম্পং কমিটির আহ্বায়ক মরিস কালিকোটেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গত বুধবার দার্জিলিং থেকে জিএনএলএফের ৬ সমথর্র্ককে ব্যবসায়ীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতারের পরে এদিন কালিম্পেঙের নেতার গ্রেফতারির পরে, দলের তরফে ভবিষ্যতের রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্তের কথা জানা গিয়েছে। জিএনএলএফ সুপ্রিমো সুবাস ঘিসিঙের সঙ্গেও বৈঠক করা হবে বলে দলের নেতারা জানিয়েছেন। আগামীকাল দলের নেতারা ঘিসিঙের সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানা গিয়েছে।
জিএনএলএফের নির্বাহী সদস্য বীরেন লামা বলেন, “মোর্চা নেতাদের মিথ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের দলের কর্মী-সমর্থকদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। দলের প্রচার করা গণতান্ত্রিক অধিকার, সেটি ভঙ্গ হচ্ছে।” এদিন দুপুরে কালিম্পঙের ইস্টম্যান রোডের বাড়ি থেকে জিএনএলএফের আহ্বায়ককে গ্রেফতার করেছে। গত ১১ নভেম্বর অলগাড়াতে একটি অনুমতিহীন সভায় তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। গত বুধবার দার্জিলিং থেকে ধৃত ৬ জিএনএলএফ সমর্থককে জেলা আদালতে তোলা হলে তাঁরা অর্ন্তবর্তীকালীন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। দলের কার্শিয়াঙের আহ্বায়ক নিমা লামা বলেন, “জানিনা আমাদের সমর্থকদের গ্রেফতারের জন্য সরকারের কী দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।”
অন্যদিকে বুধবার রাতে পতাকা ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে কালিম্পঙে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা এবং তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ শুরু হয়েছে। মোর্চার অভিযোগ, কালিম্পঙের পেডঙে তৃণমূল কর্মীরা মোর্চা সমর্থকদের মারধর করেছে। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, তাঁদের পতাকা ছিঁড়ে মোর্চা সমর্থকরা হামলা করায় এক তৃণমূল নেতা জখম হয়েছেন। যুব তৃণমূলের দার্জিলিং কমিটির সভাপতি তেশং ভুটিয়া অভিযোগ করে বলেন, “আমরা দলের পতাকা লাগানোর সময়ে মোর্চা সমর্থকরা এসে মারধর করে।” যদিও জিটিএর সদস্য তথা মোর্চা নেতা দাওয়া লেপচার পাল্টা অভিযোগ, “মোর্চা সমর্থকদের গাড়ি থামিয়ে তৃণমূলই উল্টে হেনস্থা করেছে।” |