টুকরো খবর
পাঁচটি জেলায় আর্সেনিক-মুক্ত জলের আশ্বাস
মালদহ, নদিয়া, বর্ধমান এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আর্সেনিক-মুক্ত পানীয় জল সরবরাহের পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় রবিবার এ কথা জানান। এ দিন ব্যারাকপুরের দোপেড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে একটি পানীয় জল প্রকল্পের শিলান্যাস করেন স্থানীয় বিধায়ক এবং অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। সেই অনুষ্ঠানেই সুব্রতবাবু বলেন, “ওই পাঁচটি জেলা আর্সেনিকপ্রবণ। তাই সেখানে আর্সেনিক-মুক্ত পানীয় জল সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পুর ও নগরোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সৌগত রায় এবং প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাও। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, ছ’কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা খরচ করে দোপেড়িয়ায় ৭০০ ঘন মিটারের এই জলাধার গড়ে তোলা হয়েছে। তা থেকে আশপাশের সাতটি মৌজায় দৈনিক ৪৩০০ কিলোলিটার জল সরবরাহ করা যাবে। আগামী ২০ মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। শিলান্যাস অনুষ্ঠানেও পূর্বতন অর্থমন্ত্রী অসীম দাশগুপ্তের সমালোচনা করেন অমিতবাবু। তিনি বলেন, “অসীমবাবুর মতো শিক্ষাবিদ বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও এই এলাকার মানুষ পরিস্রুত পানীয় জল পাননি। এটা খুব খারাপ।” প্রত্যন্ত এলাকায় রাস্তা তৈরির কাজও শুরু হয়েছে বলে জানান অমিতবাবু।

দাবি স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের
উত্তর দিনাজপুরে স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের দাবিতে বিধানসভার স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটির দ্বারস্থ হল সরকারি কর্মীদের সংগঠন কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ। শুক্রবার রায়গঞ্জ হাসপাতালের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে যায় কমিটি। সেই সময় এমপ্লয়িজের জেলা কমিটির তরফে কমিটির সদস্যদের হাতে পরিষেবার উন্নতি চেয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে আইসিইউ, বার্ন ইউনিট, সিক নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট, ইসলামপুর হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার ইউনিট চালু প্রভৃতি দাবি জানানো হয়। স্মারকলিপির প্রতিলিপি রায়গঞ্জের বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্তের হাতে তুলে দিয়েছেন এমপ্লয়িজের জেলা নেতৃত্ব। রাজ্য বিধানসভার স্বাস্থ্য বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান রুদ্রনাথ ভট্টাচার্য বলেন, “জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন। দাবি খতিয়ে দেখে স্বাস্থ্য দফতর শীঘ্রই ব্যবস্থা নেবে।” অভিযোগ, আইসিইউ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছেন না। প্রতিদিনই বহু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে রেফার করে দেওয়া হচ্ছে। বার্ন ইউনিট না থাকায় অগ্নিদগ্ধ রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছেন না। হাসপাতালে সিক নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট না থাকায় কর্তৃপক্ষের পক্ষে সদ্যোজাত শিশুদের চিকিৎসায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এপ্রিল মাস থেকে জেলায় স্থায়ী মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক না থাকায় হাসপাতাল প্রশাসনে সমস্যা হচ্ছে। এমপ্লয়িজের জেলা সম্পাদক সুযশ মুখোপাধ্যায় বলেন, “জেলায় স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের দাবিতে সংগঠনের তরফে ৬ মাস আন্দোলন চালিয়েও লাভ হয়নি। কমিটির সদস্যরা দাবি খতিয়ে দেখে আশ্বস্ত করেছেন। অবিলম্বে দাবি পূরণ না হলে জেলা জুড়ে আন্দোলন হবে।”

দিনহাটায় স্বাস্থ্যমেলা
নেতাজীর জন্মদিন উদযাপনকে সামনে রেখে দুদিন ব্যাপী স্বাস্থ্যমেলা শুরু হল দিনহাটায়। রবিবার দিনহাটার সংহতি ময়দানে ওই মেলার উদ্বোধন করেন কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি দিলীপ বিশ্বাস। স্বাস্থ্য মেলা কমিটি এবং বেলা গুহ দুঃস্থ ও শিশু কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত ওই স্বাস্থ্যমেলায় ৫০ জন চিকিৎসক দিনভর তিন হাজারেরও বেশি রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় বলে আয়োজকদের তরফে বিধায়ক উদয়ন গুহ জানান। এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি স্মরণিকা প্রকাশ করেন কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান বীরেন কুণ্ডু। বিকেলে কোচবিহারের তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, “ভাল উদ্যোগ। আমি নিজেও মধুমেহ রোগের চিকিৎসার জন্য ডাক্তার দেখিয়েছি।” সিতাইয়ের কংগ্রেস বিধায়ক কেশব রায়ও ওই মেলা ঘুরে প্রশংসা করেন।

চক্ষু পরীক্ষা শিবির
চৈতন্যপুরের বিবেকানন্দ মিশনের সহযোগিতায় ও খড়কুশমা নিগমানন্দ সারস্বত মঠের পরিচালনায় একটি চক্ষু পরীক্ষা শিবির হল খড়কুশমা আশ্রমে। যেখানে ৫৪০ জনের চক্ষু পরীক্ষা করা হয়। তার মধ্যে ৭১ জনকে চশমা ও ১০০ জনকে নিখরচায় ওষুধ দেওয়া হয়েছে। ২১৫ জনের চক্ষু অপারেশন করতে হবে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। ৪ দফায় এই অপারেশন করানো হবে বলে আশ্রম কর্তৃপক্ষ জানান। রবিবার খড়্গপুরের সাউথ ইন্দা এলাকাতেও একটি চক্ষু পরীক্ষা শিবির হয়। সেখানে তিনশো জনের চক্ষু পরীক্ষা করা হয়। শিবিরে উপস্থিত ছিলেন খড়্গপুরের পুরপ্রধান জহরলাল পাল, উপপুরপ্রধান তুষার চৌধুরী, চিকিৎসক এস এ নাজমি প্রমুখ।

সিপিএমের পঞ্চায়েতে স্বজনপোষণের অভিযোগ
সিপিএম পরিচালিত পঞ্চায়েতগুলিতে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। রবিবার বুদবুদে বার্ষিক কৃষি ও স্বাস্থ্যমেলার উদ্বোধন করতে গিয়ে এমনই অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী শিশির অধিকারী। শিশিরবাবু জানিয়েছেন, একশো দিনের কাজ-সহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অর্থ কেন্দ্র পাঠাচ্ছে। কিন্তু সিপিএম পরিচালিত পঞ্চায়েতগুলির দুর্নীতির জন্য সাধারণ মানুষের হাতে তার কোনও সুফলই পৌঁছচ্ছে না। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, মেলায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, রক্তের শ্রেণি নির্ণয়, চক্ষু পরীক্ষা শিবির, চাষের উপরে আলোচনাসভা হবে। সন্ধ্যায় থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

কৃষি ও স্বাস্থ্যমেলায় শিশির অধিকারী
সিপিএম পরিচালিত পঞ্চায়েতগুলিতে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। রবিবার বুদবুদে বার্ষিক কৃষি ও স্বাস্থ্যমেলার উদ্বোধন করতে গিয়ে এমনই অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী শিশির অধিকারী। তিনি জানান, একশো দিনের কাজ-সহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অর্থ কেন্দ্র পাঠালেও সিপিএম পরিচালিত পঞ্চায়েতগুলির দুর্নীতির জন্য সাধারণ মানুষের হাতে তার সুফল পৌঁছাচ্ছে না। উদ্যোক্তারা জানান, মেলায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, রক্তের শ্রেণি নির্ণয়, চক্ষু পরীক্ষা শিবির, চাষের উপর আলোচনাসভা হবে। সন্ধ্যায় থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জনস্বাস্থ্য শিবির
গত বৃহস্পতিবার গোঘাটের জয়কৃষ্ণপুর শিবতলা প্রাঙ্গণে সংশ্লিষ্ট গ্রামোন্নয়ন সমিতির সদস্যদের ব্যবস্থাপনায় জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা শিবির হল। শিবিরের উদ্বোধন করেন কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সন্ন্যাসী স্বামী ভক্তিপ্রিয়ানন্দ। জনস্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন গোঘাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থকেন্দ্রের চিকিৎসকেরা। বিভিন্ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা শোনান।

স্বাস্থ্য প্রদর্শনী
বিপিএল তালিকাভুক্ত পরিবারের শিশুদের নিয়ে শিশু স্বাস্থ্য প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করল বাঁকুড়া পুরসভা। রবিবার বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে এই অনুষ্ঠানটি হয়। বাঁকুড়ার পুরপ্রধান শম্পা দরিপা বলেন, “পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত প্রায় ৩৯০ জন শিশু এই স্বাস্থ্য প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতায় যোগ দেয়।”

‘শাস্তির’ দাবি
আমরি-কাণ্ডে শুধু মালিকপক্ষই নয় দুর্ঘটনার রাতে ওই হাসপাতালে কর্তব্যরত কর্মীরাও সমান দোষী। এ কথা বলে তাঁদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি তুললেন মৃত রোগীদের আত্মীয়েরা। রবিবার, নন্দন চত্বরে মৃতদের পরিজনরা মিলে ‘হিউম্যান হেলথ্ রাইট ফোরাম’ নামে এক সংগঠন গড়ে তার কর্মসূচি ঠিক করেন। ফোরামের সম্পাদক শুভাশিস চক্রবর্তী বলেন, “আমরি কর্তাদের শাস্তির বিচার প্রক্রিয়ায় সরকারের ভূমিকায় আমরা খুশি। তবে সেই রাতে কর্তব্যরত ডাক্তার, কর্মীদেরও শাস্তি চাই।” পরিজনদের দাবি, ক্ষতিপূরণের টাকার পরিমাণ ঠিক করবে আদালত, আমরি কর্তৃপক্ষ নয়। ফোরামের তরফে জানানো হয়, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ-সহ বেশ কিছু দাবিতে প্রতি মাসের ন’তারিখ স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হবে।



First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.