টুকরো খবর

প্রেমিক যুগলকে ‘শাস্তি’, বিবস্ত্র ছবি তুলল পুলিশ
শরীরী সম্পর্ক স্থাপনের ‘অপরাধে’, প্রেমিক-প্রেমিকাকে নগ্ন করে দাঁড় করিয়ে রাখা হল প্রায় আধঘণ্টা। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও এলেন। ইচ্ছামতো ছবি তুললেন। মন্তব্য ছুঁড়লেন। তারপর ফের শরীর ঢাকার অনুমতি মিলল। ঘটনাটি ঘটেছে কাল, অসমের মরিগাঁওতে। স্থানীয় কলেজের এক ছাত্র কলেজের কাছেই ঘর ভাড়া নিয়ে থাকে। যে সহপাঠিনীর সঙ্গে তাঁর প্রণয়, সেই মেয়েটি প্রায়ই তাঁর ঘরে আসতেন। পাড়ার লোকের কাছে খবর পেয়ে কাল বিকেলে পাঁচ পুলিশকর্মী কোনও ভাবে পিছনের দরজা দিয়ে ঘরে ঢুকে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ছাত্রছাত্রী তখন নগ্ন অবস্থায় ছিল। পুলিশ এসে তাদের জামাকাপড় কেড়ে নেয়। খবর দেওয়া হয় সংবাদমাধ্যমে। স্থির ও ভিডিও চিত্রগ্রাহকরা এসে ছবি তুলতে শুরু করেন। তার পর তাদের জামাকাপড় ফেরত দেওয়া হয়। ঘটনার পরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তবে এসপি জিতমল দোলের দাবি, “ওই দু’জনকে নগ্ন থাকতে বাধ্য করা হয়নি। তবে, পুলিশের তরফে কোনও বাড়াবাড়ি করা হয়েছিল কী না জানতে, ঘটনাটি নিয়ে ডিএসপিকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে।” পুলিশকর্তাদের বক্তব্য, সংবাদমাধ্যমকেও পুলিশ খবর দেয়নি। কোনও প্রতিবেশীর কাছ থেকে খবর পেয়ে হাজির হন সাংবাদিকেরা। পুলিশের ভূমিকায় ক্ষিপ্ত রাজ্যের বেশ কিছু মানবাধিকার সংগঠন ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে। সকলেরই বক্তব্য, সাবালক দু’টি ছেলেমেয়ে প্রেম করলে, তাদের অসম্মান করার অধিকার পুলিশকে কে দিয়েছে!

রাজ্যসভায় বাংলায় শপথ চার সাংসদের
কেউ পরেছেন শর্বরী দত্তের তৈরি কাঁথা স্টিচের পাঞ্জাবি আর ধাক্কা পাড়ের ধুতি তো কেউ সাদা চোস্ত পাঞ্জাবি। কেউ ঝুলের পাঞ্জাবি। পরিধানে যতই বৈচিত্র্য থাকুক, আজ রাজ্যসভায় তৃণমূলের চার সাংসদই কিন্তু শপথ নিলেন বাংলাতে। দেবব্রত বসু, সৃঞ্জয় বসু, সুখেন্দুশেখর রায় এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন। আজ সকাল এগারোটায় রাজ্যসভায় শপথ নেওয়ার পরে কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা রাজ্যসভার তৃণমূলী সাংসদ মুকুল রায় এই চার জনকে নিয়ে যান প্রধানমন্ত্রীর কাছে। মনমোহন সিংহ তাঁদের স্বাগত জানান। রাজ্যের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সংসদের ভিতরে ও বাইরে সক্রিয় হতে হবে তৃণমূল নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নতুন রাজ্যসভার টিমকে এই নির্দেশ দিয়েই দিল্লি পাঠিয়েছেন। ডেরেক ও’ব্রায়েনের বক্তব্য, “মমতাদির লড়াইয়ের জন্যই আমরা এই জায়গায় পৌঁছেছি। সেই লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকেই নজর থাকবে।” একমত বাকিরাও। দেবব্রতবাবুর কাছে সংসদ অবশ্য অপরিচিত জায়গা নয়। ইন্দিরা গাঁধী এবং রাজীব গাঁধীর সময়ে দিল্লিতে শ্রম মন্ত্রক এবং গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের সচিব হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। এ বার সদস্য হিসাবে সংসদে।

উৎকল-বঙ্গ উৎসব
উৎকল বঙ্গ উৎসব চলছে দিঘা সীমানায় চন্দনেশ্বর মহাবিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে। অল ইন্ডিয়া অগ্রগামী হ্যান্ডিক্যাপড সমিতি আয়োজিত এই অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে ১৪ অগস্ট। চলবে ২০ অগস্ট পর্যন্ত। আলোচনাসভার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আন্তঃরাজ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অসম, নাগাল্যান্ড, হরিয়ানা, গুজরাট, তামিলনাড়ু, ওড়িশা-সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে শিল্পীরা এসে নাচ-গান-নাটক পরিবেশন করছেন।

রক্ষীর দেহ মিলল
আজ বিকেলে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল মহন্তর ছেলে স্যমন্তকের দেহরক্ষীর মৃতদেহ মিলল বিধায়ক আবাসনে। এসএসপি দীপক চৌধুরী জানান, দীপক শইকিয়া নামে ওই দেহরক্ষীর দেহ প্রফুল্ল মহন্তর সরকারি আবাসের পিছনে পড়ে ছিল। পৌনে চারটে নাগাদ গুলির শব্দ পাওয়া যায়। দীপকবাবুর সার্ভিস পিস্তলটিও মৃতদেহের কাছ থেকেই উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের সন্দেহ, এটি আত্মহত্যারই ঘটনা।

রাজঘাট থেকে জুতো উধাও
অণ্ণা হজারের রাজঘাট যাত্রার জেরে জুতো খোয়ালেন অনেকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দিল্লি পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার। রাজঘাটে ঢোকার আগে জুতো খুলে রাখতে হয়। অণ্ণা ইন্ডিয়া গেটে চলে যাওয়ার পরে জুতো খুঁজতে যান উপস্থিত অনেকে। কিন্তু জুতো খুঁজে পাননি তাঁরা। দিল্লি পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারের জুতো খুঁজতে থাকেন কয়েক জন পুলিশ। শেষ পর্যন্ত খালি পায়েই রাজঘাট ছেড়ে চলে যান তিনি। জুতো রাখার জায়গায় যে রক্ষীরা মোতায়েন ছিলেন ,তাঁদের উপরে রেগে যায় জনতা। জানিয়ে দেন এত ভিড়ে জুতোর উপরে নজরদারি করা সম্ভব নয়।

বিজেপির বাংলা সেল
‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’ থেকে ‘পশ্চিমবঙ্গে’ নাম বদলের ব্যাপারে সর্বদল বৈঠকে যে দিন একমত হলেন রাজ্যের রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কাকতালীয় ভাবে ঠিক সে দিনই দিল্লিতে ‘বাংলা সেল’ খোলার সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। এই নতুন সেলের আহ্বায়ক আইনজীবী সুব্রত বিশ্বাস জানান, দিল্লির বাঙালি ও বাংলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে চলতেই এই উদ্যোগ। এর আগে বিজেপি সভাপতি নিতিন গডকড়ীর উদ্যোগে দলের কেন্দ্রীয় স্তরে ‘উত্তর-পূর্ব সেল’ খোলা হয়েছিল। এ বার প্রবাসী বাঙালিদের নিয়ে বঙ্গীয় সংস্কৃতির চর্চা ও তাঁদের বিবিধ সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে এই বাংলা সেল গড়ল বিজেপি। পাখির চোখ অবশ্যই বাঙালি ভোটব্যাঙ্ক।

মাওবাদী হানায় হত ১১ পুলিশ
মাওবাদী হানায় নিহত হলেন অন্তত ১১ পুলিশকর্মী। ছত্তীসগঢ়ের বিজাপুরের ঘটনা। পুলিশের পাল্টা গুলিতে নিহত হয়েছে চার মাওবাদীও। অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (মাওবাদী দমন) রামনিবাস জানিয়েছেন, বিজাপুরের ভদ্রকালী ও ভোপালপতনম থানা এলাকায় নিরাপত্তা রক্ষীর দু’টি দলকে তল্লাশির জন্য পাঠানো হয়। একটি দলে ছিলেন সিআরপিএফ ও জেলা পুলিশের কর্মীরা। আর একটি দলে ছিলেন ছত্তীসগঢ় সশস্ত্র পুলিশবাহিনীর সদস্যরা। হঠাৎই ভদ্রকালী থানা এলাকায় মেতলাপেরু গ্রামের কাছে একটি জঙ্গল থেকে মাওবাদীরা আচমকা হামলা চালায়। গুলি চালাতে শুরু করে তারা। মাওবাদীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন পুলিশকর্মী। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশবাহিনীও। পুলিশের গুলিতে চার জন মাওবাদী নিহত হয়।

প্রয়াত এম কে পান্ধে

সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য ও শ্রমিক সংগঠন সিটুর শীর্ষ নেতা এম কে পান্ধে মারা গেলেন শুক্রবার। হৃদরোগে আক্রান্ত পান্ধেকে সন্ধ্যায় রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মাঝ রাতে মৃত্যু হয় তাঁর। ১৯২৫ সালের ১১ জুলাই পুণেতে জন্ম পান্ধের। ১৯৪৩ সালে তিনি অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৬৬ সালে পান্ধে শ্রমিক সংগঠন এআইটিউসি’র সম্পাদক হয়েছিলেন। পরে সিপিএমে যোগ দেন তিনি। ১৯৯৮ সালে পান্ধে সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য নির্বাচিত হন।



First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.