: গ্রন্থাগার
জাতীয় গ্রন্থাগার
জাতীয় গ্রন্থাগার শুধু গ্রন্থাগার নয়, বেলভেডিয়ার এস্টেট-এর ইতিহাস তাকে অনেকটাই ঢেকে রেখেছে। হবে না-ই বা কেন, ১৯৪৮-এ প্রায় শ-আড়াই বছরের পুরনো একটা বাড়িতে যখন জাতীয় গ্রন্থাগারের ঠাঁই হল, তখন সেই বাড়িটার বিচিত্র ইতিহাসও তার সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গেল। তবে জাতীয় গ্রন্থাগারের শুরুটা বেলভেডিয়ারের মতো না হলেও, যথেষ্টই পুরনো। ১৮৩৬-এর কলকাতায় বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে ওঠে ক্যালকাটা পাবলিক লাইব্রেরি। দেশের এই অঞ্চলে এর আগে এমন কোনও সাধারণ গ্রন্থাগার ছিল না। তিনশো টাকা দিলে যে কোনও সদস্য এই লাইব্রেরির ‘প্রোপ্রাইটর’ হতে পারতেন। প্রথম প্রোপ্রাইটর হন দ্বারকানাথ ঠাকুর। গরিব ছাত্র এবং অন্যরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিনা খরচে এই গ্রন্থাগার ব্যবহার করতে পারতেন। তখনকার গভর্নর জেনারেল লর্ড মেটকাফ-এর উদ্যোগে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ লাইব্রেরির ৪৬৭৫টি বই ক্যালকাটা পাবলিক লাইব্রেরিতে স্থানান্তরিত হয়। প্রোপ্রাইটররাও যথেষ্ট উদ্যোগী ছিলেন, দেশ-বিদেশ থেকে বই কিনে গ্রন্থাগারটিকে সমৃদ্ধ করে তোলেন তাঁরা। এমনকী গুজরাতি, মরাঠি, পালি, সিংহলি, পঞ্জাবি ভাষার বইও সংগৃহীত হয়। খুবই দক্ষতার সঙ্গে এই গ্রন্থাগারের কাজকর্ম চলছিল। পাশাপাশি ১৮৯১-এ বিভিন্ন সচিবালয় গ্রন্থাগারকে একত্র করে তৈরি হল ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরি। এর মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র দফতরের গ্রন্থাগারটি— ইস্ট ইন্ডিয়া কলেজ, ফোর্ট উইলিয়াম, আর লন্ডনের ইস্ট ইন্ডিয়া বোর্ডের প্রচুর বই এখানে রক্ষিত ছিল। তবে এই ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরি সাধারণ মানুষের ব্যবহার করার সুযোগ ছিল না, শুধু উচ্চপদস্থ সরকারি অফিসাররাই এটি ব্যবহার করতে পারতেন।
বেলভেডিয়ার ভবনের পুরনো রেখাচিত্র বেলভেডিয়ার ভবন
বিশ শতকের গোড়ায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কার্জন কলকাতায় সাধারণের জন্য একটি গ্রন্থাগার তৈরির কথা ভাবলেন। বঙ্গভঙ্গের জন্য বহুনিন্দিত এই রাজপুরুষ কিন্তু সংস্কৃতি ক্ষেত্রে এমন কিছু কাজ করেন যা তাঁকে স্মরণীয় করে রেখেছে। ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে শক্ত মাটিতে দাঁড় করান তিনি, ঐতিহ্য রক্ষায় প্রণয়ন করেন আইন। কলকাতায় বিশিষ্টজনের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহ্যবাহী ভবনের তালিকা করে প্রতিটি বাড়িতে মার্বেলের ফলক লাগানোর ব্যবস্থাও করেন তিনি। তাঁর নজরে পড়েছিল, ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরি আর ক্যালকাটা পাবলিক লাইব্রেরি নানা বিধিনিষেধের দরুণ সাধারণ মানুষের বিশেষ কাজে লাগছে না। তাই তিনি দ্বিতীয়টিকে প্রথমটির সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, আর মেটকাফ হল-এ নতুন ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরি সবার জন্য খুলে দিলেন ১৯০৩-এর ৩০ জানুয়ারি। এই মেটকাফ হল এখনও আছে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব সর্বেক্ষণের তত্ত্বাবধানে, আর এশিয়াটিক সোসাইটির পত্রপত্রিকার সংগ্রহ রয়েছে এখানেই। ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরির প্রথম লাইব্রেরিয়ান হয়ে এলেন লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামের সহকারী গ্রন্থাগারিক জন ম্যাকফারলেন। তাঁর পর প্রথম ভারতীয় হিসেবে এই দায়িত্ব পান বিখ্যাত ভাষাবিদ হরিনাথ দে। ১৯০৭-১৯১১ সাল তিনি এই পদে ছিলেন। পরবর্তী গ্রন্থাগারিক জে এ চ্যাপম্যানের দুই দশকের কার্যকালে গ্রন্থাগারের বিপুল উন্নতি হয়।

সর্বসাধারণের জন্য জাতীয় গ্রন্থাগার খুলে দেন মওলানা আবুল কালাম আজাদ।
স্বাধীনতার পর ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরির নাম বদলে জাতীয় গ্রন্থাগার করা হয়। স্বাধীনতার আগেই গ্রন্থাগার মেটকাফ হল থেকে উঠে এসেছিল এসপ্লানেড-এ। এ বার তা চলে এল আলিপুরে বেলভেডিয়ার এস্টেট-এ। ১৯৫৩-র ১ ফেব্রুয়ারি মওলানা আবুল কালাম আজাদ জাতীয় গ্রন্থাগার খুলে দেন সর্বসাধারণের জন্য।

কী ছিল এই বেলভেডিয়ার এস্টেট-এ? ত্রিশ একর জমির উপর বিশাল প্রাসাদ, পুকুর, বাগান। কবে, কে তৈরি করেন এই প্রাসাদ, যা দেখে আঠেরো, উনিশ ও বিশ শতকের অজস্র অতিথি-অভ্যাগত, পর্যটক, সরকারি অফিসার, সাধারণ দর্শক বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছেন? নিশ্চিত করে বলা কঠিন। ঔরঙ্গজেব ১৬৯৭-এ নাতি আজিম-উশ-শানকে বাংলা-বিহার-ওড়িশার সুবেদার নিযুক্ত করেন। ১৭১২-য় মৃত্যু পর্যন্ত তিনি সেই পদেই ছিলেন। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে তিনিই কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম বানানোর অনুমতি দেন, যেমন অনুমতি দেন চুঁচুড়ায় ডাচদের ফোর্ট গুস্তাভাস আর চন্দননগরে ফরাসিদের ফোর্ট অর্লিয়োঁ বানাতে। কারও কারও অনুমান, বেলভেডিয়ারে মূল প্রাসাদ বানিয়েছিলেন এই আজিম-উশ-শানই। ১৭১৭-য় যে জন সুরমান ব্রিটিশের দূত হয়ে দিল্লিতে ফারুখশিয়ারের কাছে গিয়েছিলেন, কলকাতায় তাঁর বাগানবাড়ি ছিল বেলভেডিয়ার। পরে এই বাড়ি আসে মুর্শিদাবাদের নবাবদের হাতে, আর মিরজাফরকে শেষে এই সম্পত্তি উপহার দিতে হয় ব্রিটিশকে। ওয়ারেন হেস্টিংস এখানে থেকেছেন। এর পর ‘টালির নালা’-খ্যাত মেজর টলি, এবং আরও নানা জনের হাত ঘুরে বাড়িটি আসে সরকারের কাছে। এর মধ্যে ১৮২৭-এ শম্ভুচন্দ্র মুখোপাধ্যায় বেলভেডিয়ারে থেকেছেন— সম্ভবত তিনিই প্রথম ভারতীয়। ১৮৫৪-য় গভর্নর জেনারেল চলে গেলেন নবনির্মিত গভর্মেন্ট হাউস-এ (আজকের রাজভবন), বেলভেডিয়ার হল লেফটেনান্ট গভর্নরের বাড়ি। ১৯১১-য় রাজধানী চলে গেল দিল্লিতে, লেফটেনান্ট গভর্নরও পুরো মর্যাদার গভর্নর হিসেবে জায়গা পেলেন রাজভবনে। স্বাধীনতা পর্যন্ত ভাইসরয়রা কলকাতায় এলে এখানেই থাকতেন। শেষ গভর্নর জেনারেল চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারি বেলভেডিয়ারে ন্যাশনাল লাইব্রেরি স্থানান্তরিত করার কথা বলেন। এই আড়াইশো বছরের ইতিহাসে দফায় দফায় বহু সংস্কার, পরিবর্ধন-পরিমার্জন ঘটেছে এই বাড়িতে। প্রায় ষাট বছর জাতীয় গ্রন্থাগার ছিল এখানেই, তখনও ঘটেছে নানা পরিবর্তন।
নব নির্মিত ভাষা-ভবন ভাষা-ভবনের সামনে রবীন্দ্র-মূর্তি
আজ যখন গ্রন্থাগার সরে গিয়েছে একটু দূরে নতুন তৈরি ভাষা-ভবনে (২০০৮-এ), ফাঁকা হয়ে গিয়েছে লাট-প্রাসাদ, তখন একতলা-দোতলার ঘরগুলো ঘুরে দেখলেই বোঝা যায়, বইয়ের আলমারির আড়াল থেকে বেরিয়ে এসেছে ফায়ারপ্লেস, মেঝের সাতপুরু ধুলোর তলা থেকে উঁকি মারছে বিখ্যাত মিন্টন কোম্পানির টাইলস, পার্টিশনগুলো নেই ভেবে নিলেই বোঝা যাচ্ছে বিশাল হলঘরের পুরনো চেহারা, অসাধারণ কাঠের সিঁড়ি, আরও কত কী। পুরনো চেহারা ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব সর্বেক্ষণ এখন সে কাজে ব্যস্ত।
বেলভেডিয়ারের বলরুমই পরে জাতীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষ হয়ে ওঠে।
বিভিন্ন ভাষার বইপত্র ও পাণ্ডুলিপির অসামান্য সংগ্রহ জাতীয় গ্রন্থাগার। ডেলিভারি অব বুকস অ্যান্ড নিউজপেপার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী ভারতে প্রকাশিত সব ভাষার বইপত্রের কপি এখানে জমা পড়ার কথা— সে আইন সব সময় যে সবাই মানেন এমন নয়। তবু এখানে ৮৫ হাজার বাংলা বই, ৮০ হাজার হিন্দি বই, ১২ হাজার অসমিয়া বই, ৩৭ হাজার গুজরাতি বই, ৩২ হাজার কন্নড় বই, ৩৪ হাজার মালয়ালম বই, ৩৭ হাজার মরাঠি বই, ১৯ হাজার ওড়িয়া বই, ২০ হাজার সংস্কৃত বই, ৫৭ হাজার তামিল বই, ২০ হাজার উর্দু বই ছাড়াও আলাদা করে রাখা আছে সিন্ধি, তেলুগু, পালি-প্রাকৃত, পঞ্জাবি, কাশ্মীরি ইত্যাদি ভাষার বই। স্বাভাবিক ভাবেই ইংরেজি বইয়ের সংখ্যা সবথেকে বেশি, কিন্তু অন্যান্য বহু বিদেশি ভাষার বইয়ের সংখ্যাও যথেষ্ট। চিনা ভাষার বইই আছে ১৫ হাজার, আরবি ও ফার্সি ১২ হাজার করে। আলাদা বিভাগে আছে ১৮৬০-এর আগে ছাপা দুর্লভ বইপত্র। ভারতের প্রথম সংবাদপত্র ‘হিকিজ গেজেট’ আছে এখানে। আছে বিভিন্ন ভাষার সাড়ে তিন হাজার পুথি ও পাণ্ডুলিপি। মানচিত্রের বিভাগটিও খুব সমৃদ্ধ, সেখানে দেখা যাবে ১৭ শতক থেকে ৮৫ হাজার মানচিত্র, ২৮০টি অ্যাটলাস। নিয়মিত কাজ চলছে সংরক্ষণ ও আধুনিকীকরণের। গ্রন্থতালিকা ছাপার কাজও চলে এই সঙ্গেই।
আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবন
থেকে তাঁর সংগ্রহ নিয়ে আসা হচ্ছে।
জাতীয় গ্রন্থাগারে আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের
সংগ্রহ থেকে দুষ্প্রাপ্য একটি বইয়ের পাতা।
এত বড় গ্রন্থাগার আস্তে আস্তে আরও সমৃদ্ধ হয়েছে বহু ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারের সংযোজনে। তবে তার মধ্যে বোধহয় সবথেকে উল্লেখযোগ্য স্যর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সংগ্রহ। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যর আশুতোষের সংগ্রহে ছিল ৮৬ হাজারেরও বেশি বই। ১৯২৪-এ প্রয়াত হন তিনি, তার ২৫ বছর পর, ১৯৪৯-এ আশুতোষের উত্তরসূরিরা এই বিপুল সংগ্রহ জাতীয় গ্রন্থাগারে দান করেন। বিভিন্ন বিষয়ের এই বইয়ের সংগ্রহে আছে বহু দুর্লভ বইও— সবথেকে পুরনোটি ১৫৫৩ খ্রিস্টাব্দে ছাপা একটি ল্যাটিন ভাষার বই। এ ছাড়াও জাতীয় গ্রন্থাগারে সংযোজিত হয়েছে বুহার সংগ্রহ, রামদাস সেন সংগ্রহ, যদুনাথ সরকার সংগ্রহ, বারিদবরণ মুখোপাধ্যায় সংগ্রহ ইত্যাদি। জীবনানন্দ দাশ, বিষ্ণু দে প্রমুখের পাণ্ডুলিপির সঙ্গে সম্প্রতি এসেছে নৃতাত্ত্বিক নির্মলকুমার বসুর ধারাবাহিক ডায়েরির সংগ্রহ।

এরই পাশাপাশি জাতীয় গ্রন্থাগার সাক্ষী হয়ে রয়েছে আরও অনেক বিখ্যাত মুহূর্তের। যেমন, বহু বিশিষ্ট জন এখানে এসেছেন, তেমনই সত্যজিত্ রায় এখানেই সম্মানিত হয়েছেন লিজিয়ঁ দ্যনর-এ। চিন থেকে যে ঐতিহ্যবাহী প্রদর্শনী ভারতের বিভিন্ন শহর ঘুরেছে তাও এখানেই কলকাতার মানুষ দেখার সুযোগ পেয়েছেন।

জাতীয় গ্রন্থাগারে ভাষাচার্য সুনীতিকুমার
চট্টোপাধ্যায় ও বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু।

ভারতে চিনা সংস্কৃতির সবথেকে
বড় প্রদর্শনী: জাতীয় গ্রন্থাগার ২০১১

ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মানে
সম্মানিত সত্যজিত্ রায়।
দেশের বৃহত্তম এই গ্রন্থাগার নিজের গতিতেই এগিয়ে চলেছে। কিন্তু এর পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে তৈরি হয়েছে আর একটি পরিকল্পনা, যা রূপায়িত হলে শুধু এ দেশে নয়, সারা পৃথিবীতেই বেলভেডিয়ার অন্য গুরুত্ব পাবে। গ্রন্থাগার যখন ভাষা-ভবনে স্থানান্তরিত হল, তখন থেকেই ভাবনাচিন্তা চলছিল তিনশো বছরের পুরনো বেলভেডিয়ার ভবনকে নিয়ে কী করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক এ ব্যাপারে যে কমিটি গড়ে দিয়েছিল, তার রিপোর্টে এখানে একটি ‘সেন্টার ফর দি ওয়ার্ড’, অর্থাৎ ভাষা এবং তার নানা মাত্রা নিয়ে একটি সংগ্রহশালা এবং কর্মকেন্দ্র গড়তে চাওয়া হয়েছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এর মধ্যে থাকছে ভাষা আর তার বিবর্তন, মৌখিক সংস্কৃতি ও জ্ঞান পরম্পরা, লিপির উদ্ভব ও বিকাশ-বিস্তার, পুথি, পূর্ব এশিয়ায় মুদ্রণের সূচনা, ইয়োরোপে মুদ্রণ, লেটারপ্রেস থেকে কম্পিউটার সেটিং, ইন্টারনেট, সমাজ-সংস্কৃতিতে ‘লিখিত অক্ষর’-এর প্রভাব, সাহিত্য, ভারতে মুদ্রণ-প্রকাশন, গ্রন্থাগার— আলেকজান্দ্রিয়া থেকে বর্তমান কাল, বেলভেডিয়ার। পুরনো বাড়ির পুরোটা জুড়েই এই কেন্দ্রের কর্মকাণ্ড বিস্তৃত করতে চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটি এখনও কেন্দ্রীয় সরকারের বিবেচনাধীন। তবে এ কথা ঠিক, বই বা প্রকাশনা সংক্রান্ত সংগ্রহশালা পৃথিবীর অনেক জায়গায় থাকলেও এ ধরনের সামগ্রিক সংগ্রহ কোথাও নেই।

—নিজস্ব চিত্র্র
 
 


 

Content on this page requires a newer version of Adobe Flash Player.

Get Adobe Flash player

 
অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.