|
|
|
|
১০৩ জনের নিয়োগ খারিজ খাদ্য দফতরে |
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা |
বামফ্রন্টের আমলে খাদ্য দফতরের করণিক-পদে নিয়োগের পরীক্ষায় দুর্নীতি হয়েছিল বলে অভিযোগ। আর সেই অভিযোগেই ১০৩ জনের নিয়োগ খারিজ করে দিল স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল বা স্যাট। ছ’টি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে চাকরি পেয়ে কাজে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা। তবে ওই পরীক্ষার ভিত্তিতে মোট ২২৫ জনকে নিয়োগ করেছে খাদ্য দফতর।
খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানান, ওই নিয়োগ চাকরি পরীক্ষায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছিল। তাই খাদ্য দফতর স্যাটের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে লড়বে না। এবং আদালতের নির্দেশ মেনেই কাজ করবে। খাদ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের সরাসরি বিরোধিতা না-করলেও তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত কর্মচারী ফেডারেশনের খাদ্য দফতর শাখার সাধারণ সম্পাদক সমীরণ রায় বলেন, “আইন আইনের পথে চলবে। আশা করি, কর্মচারীরা যথাযথ বিচার পাবেন।”
ওই পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল ২০০৯ সালের ১৬ অগস্ট। আদালত যে-ছ’টি কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীদের নিয়োগ খারিজ করার নির্দেশ দিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে মালদহের দু’টি, নদিয়ার তিনটি এবং কলকাতার একটি কেন্দ্র। মোট ৩৫০টি শূন্য পদের জন্য ১২৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়। অভিযোগ, মোট সফল তফসিলি পরীক্ষার্থীর ৭৫ শতাংশই এসেছে ওই ছ’টি কেন্দ্র থেকে। মোট সফল প্রার্থীর মধ্যে ১৫৭ জন সফল হয়েছেন শুধু মালদহ জেলা থেকে। তাঁদের মধ্যে তফসিলি প্রার্থী ৫৩ জন। ওই জেলারই গাজল এইচএনএম হাইস্কুল থেকে ৯৯৯ জন সাধারণ প্রার্থী পরীক্ষায় বসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউই পাশ করতে পারেনি। একই ভাবে ১২৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রের মাত্র ২৩টি থেকে তফসিলি প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। ১০২টি কেন্দ্র থেকে কেউই সফল হতে পারেননি। বিচারকদের বক্তব্য, এর থেকেই প্রমাণ হয়, ওই সব কেন্দ্রে পরীক্ষার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি রয়েছে। তাই ওই ছ’টি কেন্দ্র থেকে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ বাতিল করা হল। |
|
|
|
|
|