|
|
|
|
বিসর্জনের শোভাযাত্রা থেকে দোকান ভাঙচুর |
নিজস্ব সংবাদদাতা • মেদিনীপুর |
বিসর্জনের দিনগুলোতে বড়বাজার, স্কুলবাজারের মতো এলাকায় পুলিশি প্রহরার দাবি তুললেন ব্যবসায়ীরা। এই দাবিতে রবিবার মেদিনীপুর কোতয়ালি থানায় স্মারকলিপিও দেন তাঁরা।
সরস্বতী বিসর্জনের শোভাযাত্রা ঘিরে শনিবার রাতে বড়বাজারে গোলমাল বাধে। একটি ক্লাবের কিছু সদস্য কয়েকটি দোকানের সাইনবোর্ড, আলো ভাঙচুর করে। প্রতিবাদী দুই ব্যবসায়ীকে মারধরও করা হয়। সুদীপ চাবড়ি এবং সন্দীপ চাবড়ি নামের ওই দুই ব্যবসায়ীকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। তাঁরা চিকিত্সাধীন। |
|
বড়বাজারে দোকানের ভাঙচুর হওয়া সাইনবোর্ড। |
এখন সরস্বতী পুজোর বিসর্জন পর্ব চলছে। মেদিনীপুর শহরে বিসর্জনের অধিকাংশ শোভাযাত্রাই বড়বাজার এলাকার উপর দিয়ে যায়। মল্লিকচক, স্কুলবাজার, ছোটবাজারের মতো এলাকার উপর দিয়েও শোভাযাত্রা যায়। এই সব এলাকায় নানা দোকান রয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, শোভাযাত্রার সঙ্গে যাওয়ার সময় কিছু উন্মত্ত যুবক বিভিন্ন দোকানের দামী সাইনবোর্ড, আলো, আসবাবপত্র ভেঙে নষ্ট করে দেয়। মাঝেমধ্যে নিজেরা মারামারিতেও জড়িয়ে পড়ে। পথচলতি সাধারণ মানুষকেও তারা গালিগালাজ, মারধর করে বলেও অভিযোগ। শনিবার রাতে যেমন তিনটি দোকানের সাইনবোর্ড, আলো, আসবাবপত্র নষ্ট করা হয়েছে। মেদিনীপুর ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক মলয় রায় বলেন, “বড়বাজারে যে ঘটনা ঘটেছে, তা নিন্দনীয়। ক্ষতি হল ব্যবসায়ীদেরই। আবার প্রতিবাদী দুই ব্যবসায়ীকেও মারধর করা হল। আমরা ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছি।”
মলয়বাবু আরও বলেন, “বিসর্জনের দিনগুলোতে বড়বাজার, ছোটবাজার মল্লিকচক, স্কুলবাজার প্রভৃতি এলাকার দোকানে যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে জন্য পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছি আমরা।” এ দিন সকালে কয়েকজন ব্যবসায়ী ঠিক করেছিলেন, দোকান বন্ধ রেখেই প্রতিবাদ জানাবেন। শেষমেশ অবশ্য তা হয়নি। মেদিনীপুর ব্যবসায়ী সমিতি এ দিন পুলিশের বিভিন্ন মহলে দাবিপত্র জমা দিয়েছে। মেদিনীপুর ব্যবসায়ী কমিটিও এ দিন কোতয়ালি থানায় স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। দাবি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। |
|
|
|
|
|