|
|
|
|
মনমোহনের বিরুদ্ধে অসমকে উপেক্ষার অভিযোগ বিজেপির
নিজস্ব সংবাদদাতা • গুয়াহাটি
১০ জানুয়ারি |
প্রধানমন্ত্রী ও ইউপিএ সরকারের বিরুদ্ধে তৈরি বিজেপির ‘চার্জশিট’-এর শীর্ষে থাকছে অসমের প্রতি মনমোহন সিংহের বঞ্চনা। রাজ্যসভার সাংসদ তথা উপ-বিরোধী দলনেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ আজ গুয়াহাটিতে সাংবাদিক সম্মেলনে এই কথা জানান। পাশাপাশি, শীলা দীক্ষিতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের জন্য আম আদমি পার্টিকে চ্যালেঞ্জ জানান তিনি।
প্রসাদ বলেন, “১৯৯১ সাল থেকে অসমের সাংসদ মনমোহন সিংহ অসমের জন্য যে কিছুই করেননি, তার উল্লেখ করেই ইউপিএ-র বিরুদ্ধে ‘চার্জশিট’ তৈরি শুরু করছে দল। দেশের লোক জানতে চায়, ২২ বছর ধরে নিজের পদের জন্য অসমের নাম ব্যবহার করা মনমোহন অসমের উন্নয়নের জন্য ঠিক কী কী করেছেন?” পাশাপাশি বিজেপির প্রশ্ন, রাহুল গাঁধীর নির্বাচন কেন্দ্র অমেঠী ও সনিয়ার কেন্দ্র রায়বরেলীতে এত ধরণের সরকারি উন্নয়ন প্যাকেজ দেওয়া হলেও, অসমের ক্ষেত্রে কেন কেন্দ্র সে ভাবে আগ্রহী নয়? কেন এত বছর সাংসদ থাকার পরেও মনমোহন রাজ্যে কোনও বড় শিল্প আনতে পারেননি?
প্রসাদ বলেন, “অটলবিহারী বাজপায়ীর আমলে উত্তর-পূর্বের পরিকাঠামো উন্নয়নের উপরে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছিল। গড়া হয়েছিল উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রক। কিন্তু ইউপিএ সরকার সেই মন্ত্রকের ব্যয় বরাদ্দ কম করতে থাকায় উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন প্রকল্পে তার প্রভাব পড়েছে।” পাশাপাশি তাঁর ঘোষণা, স্থলসীমান্ত চুক্তির সংশোধনী ও অসমের জমি বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ারও বিরোধিতা করবে বিজেপি। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যসভা মুলতুবি হওয়ার ঠিক আগেই সংশোধনী বিল পেশ করাটা কংগ্রেসের চক্রান্ত। তাঁর বক্তব্য, “বরাবর রাজনৈতিক স্বার্থে, অনুপ্রবেশকারীদের ভোট ব্যাঙ্ক ব্যবহারের জন্য কংগ্রেস অসমকে ব্যবহার করেছে। খোদ রাজীব গাঁধীর সময় স্বাক্ষর হওয়া অসম চুক্তির কথা তাঁর স্ত্রী ও সন্তান ইচ্ছাকৃতভাবে ভুলে থাকেন।” প্রসাদের পাশাপাশি ‘চার্জশিট কমিটি’র তরফে গোপীনাথ মুণ্ডে, নির্মলা সীতারমণরা গতকাল থেকে অসমে এসে রাজ্য তথা উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের অভাব-অভিযোগ নথিবদ্ধ করছেন।
আম আদমি পার্টি প্রসঙ্গে প্রসাদের জবাব, ‘আপ’ নয়, বিজেপিই দেশকে যোগ্যতম ও স্থিতিশীল বিকল্প সরকার দিতে পারে। দিল্লিতে কংগ্রেসের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ে সেই কংগ্রেসেরই হাত ধরে সরকার গড়ায় ‘আপ’-এর সমালোচনা করেন বিজেপি নেতারা। প্রসাদের কথায়, “ক্ষমতা ও সাহস থাকলে, কমনওয়েল্থ গেম্স-এ শীলা দীক্ষিতের ভূমিকার তদন্ত করে কেজরিওয়াল ব্যবস্থা নিক।” |
|
|
|
|
|