টুকরো খবর
দশম শ্রেণির ছাত্রী নিখোঁজ পাঁশকুড়ায়
দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া থানার মহৎপুর গ্রামে। নীলাঞ্জনা মাজি নামে স্থানীয় ব্রাডলিবার্ট হাইস্কুলের ওই ছাত্রী টিউশনে যাওয়ার নাম করে রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিল বাড়ি থেকে। সন্ধের পরও না-ফেরায় বাড়ির লোকজন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরদিনই পাঁশকুড়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন নীলাঞ্জনার বাবা নকুলবাবু। পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এখনও ওই ছাত্রীর কোনও হদিস মেলেনি। মহৎপুর গ্রামের ফুলচাষি নকুল মাজির মেয়ে নীলাঞ্জনা পাঁশকুড়া পুরাতন বাজারে স্কুলেরই এক অস্থায়ী শিক্ষকের কাছে টিউশন নিত। রবিবার বিকেলে টিউশনে যাওয়ার নাম করেই সে বাড়ি থেকে বেরোয়। অন্য দিন সন্ধে ৬টা নাগাদ বাড়ি ফিরে যেত নীলাঞ্জনা। ওই দিন ৭টা বেজে গেলেও না-ফেরায় বাড়ির লোকজন খোঁজখবর শুরু করেন। জানা যায়, টিউশনেই যায়নি নীলাঞ্জনা। আত্মীয় ও বন্ধুদের কাছেও খোঁজ না-পেয়ে সোমবার থানায় যান নকুলবাবু। তাঁর কথায়, “সন্ধ্যাবেলা থানায় যাওয়ার পথে আমার মোবাইলে একটা ফোন আসে। মেয়ের গলা পাই ওই ফোনে। সে জানায়, দমদম এয়ারপোর্টে রয়েছে। তাকে কয়েকজন দিল্লি নিয়ে যাচ্ছে। ওই কথা বলার পরেই ফোনটা কেটে যায়।” এরপর আর ওই নম্বরে যোগাযোগ করা যায়নি। পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নাবালিকা ওই কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পাড়া-প্রতিবেশীদের আশঙ্কা, ওই ছাত্রীকে কোনও দুষ্কৃতীচক্র অপহরণ করে ভিন্ রাজ্যে পাচার করে দিয়েছে। মেয়ে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন মা সবিতাদেবী। তিনি বলেন, “সপ্তাহে দু’দিন টিউশন ছিল। একাই যেত। এই ভাবে নিখোঁজ হয়ে যাবে, ভাবতেও পারিনি। পুলিশও কোনও খবর দিতে পারছে না। দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে কোনও রকমে।”

বিনপুর-হাড়দা বেহাল রাস্তায় বাস চলাচল বন্ধ
বিনপুর থেকে হাড়দা হয়ে বাঁকুড়ার ফুলকুসমা যাওয়ার রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। প্রশাসনকে বার বার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ বাস-মালিকদের। বর্ষা শুরু হতেই রাস্তাটির অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় বেহাল পথে বাস চালাতে নারাজ বাস-মালিকেরা। শুক্রবার থেকে বিনপুর-হাড়দা রুটে তাই অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চালানো বন্ধ করে দিলেন বাস-মালিকেরা। ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া রুটের ৯টি বাস বিনপুর-হাড়দার ওই পথেই যাতায়াত করে। ‘ঝাড়গ্রাম মহকুমা বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর যুগ্ম আহ্বায়ক বরুণ ঘোষ বলেন, “বিনপুর থেকে হাড়দা হয়ে বাঁকুড়া জেলার সীমানা পর্যন্ত ১৩ কিমি রাস্তার পুরোটাই খানাখন্দে-ভর্তি। বাঁকুড়ার সীমানা-লাগোয়া মুরগি-গ্রামের কাছে রাস্তার একটি কালভার্টও বিপজ্জনক ভাবে ভেঙে পড়েছে। রাস্তা-সংস্কারের দাবিতে গত ৬ মাস ধরে লিখিতভাবে প্রশাসনিক মহলকে জানানো হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়নমন্ত্রী সুকুমার হাঁসদাকেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সকলেই আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু রাস্তা সারানো হয়নি।” বাস-মালিক সংগঠনের নেতাদের বক্তব্য, বিপজ্জনক রাস্তাটিতে যাত্রিবাহী বাস চালানোর ঝুঁকি নেওয়া সম্ভব নয়। যে কোনও সময়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই ওই রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন বরুণবাবুরা। অন্যদিকে, যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম বাস-চলাচল বন্ধ হওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছেন হাড়দা অঞ্চলের কয়েক হাজার বাসিন্দা। বিনপুর থানার হাড়দা অঞ্চলটি বেলপাহাড়ি ব্লকের অন্তর্গত। বেহাল রাস্তার জন্য ভাড়ার গাড়িও হাড়দায় যেতে চায় না বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। অন্য দিকে, প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য, আশির দশকে তৎকালীন ‘ঝাড়গ্রাম উন্নয়ন পর্ষদে’র (বর্তমানে এই পর্ষদের অস্তিত্ব নেই) অর্থানুকূল্যে বিনপুর-হাড়দা হয়ে বাঁকুড়া জেলার সীমানা পর্যন্ত ১৩ কিমি রাস্তাটি পিচের করা হয়। তার পর থেকে রাস্তাটির প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়নি। বছর চারেক আগে শেষবারের মতো অস্থায়ী ভাবে রাস্তাটির খানাখন্দ ভরাট করা হয়েছিল। ঝাড়গ্রামের মহকুমাশাসক বাসব বন্দ্যোপাধ্যায় রাস্তাটির সংস্কারের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আশ্বাস দিয়েছেন।

লক্ষ্মণের প্রতি ‘সহানুভূতি’তে ভোট-বৃদ্ধির দাবি সিপিএমে
হলদিয়া পুরভোটে বামেদের জয়ের পিছনে জেলবন্দি প্রাক্তন সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠের প্রতি জনগণের সহানুভূতিও কাজ করেছেশুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুরে পুরভোটের ফলাফল নিয়ে জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর পর্যালোচনা বৈঠকে এমনটাই দাবি করলেন সিপিএম নেতৃত্ব। রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর দুই সদস্য দীপক সরকার ও রবীন দেবের উপস্থিতিতে এ দিনের বৈঠকে হলদিয়ার রিপোর্ট পেশ করেন জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য প্রণব দাস, আর পাঁশকুড়ার রিপোর্ট দেন আর এক সদস্য নিরঞ্জন সিহি। রিপোর্টে কঠিন এই পরিস্থিতিতেও হলদিয়ায় তৃণমূলকে হারানোর কারণ হিসাবে বেশ কয়েকটি দিক তুলে ধরা হয়েছে। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে হলদিয়ায় শিল্পায়ন ও উন্নয়নের গতি রুদ্ধ হয়ে গিয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করেছেন সিপিএম নেতৃত্ব। পাশাপাশি, বিভিন্ন কারখানায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শ্রমিকদের মনে বিরূপ মনোভাব তৈরি করেছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। হলদিয়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলেও তিতিবিরক্ত মানুষ। সর্বোপরি প্রাক্তন সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠকে ‘মিথ্যা অভিযোগে’ জেলে বন্দি করে রাখায় ‘সহানুভূতিসূচক’ ভোটও বামেদের পক্ষে পড়েছে বলে দাবি জেলা সিপিএম নেতৃত্বের। পাশাপাশি তাঁরা জানিয়েছেন, অপরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কিছু নেতা দলে আর না থাকায় সার্বিক ভাবে দলের ভাবমূর্তিরও উন্নতি হয়েছে। গত বছর বিধানসভা ভোটের চেয়ে এ বার পুর-নির্বাচনে সামান্য হলেও বামেদের ভোট বেড়েছে (১ শতাংশ)। অন্য দিকে, পাঁশকুড়ায় বামেদের হারের প্রধান কারণ হিসাবে তৃণমূলের ‘সন্ত্রাস’ ও ‘অর্থ দিয়ে ভোট কেনা’র কথা উল্লেখ করা হয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় পাঁশকুড়া পুরসভায় এ বার ভোট কমেছে বামফ্রন্ট ও তৃণমূলের। নির্দল প্রার্থীরাই প্রায় ১৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে পাঁশকুড়ায়।

সিপিএমের প্রতিবাদ মিছিল কেশিয়াড়িতে
বেশ কয়েক দফা দাবিতে কেশিয়াড়িতে মিছিল-সভা করল সিপিএম। ব্লকের বিভিন্ন এলাকার কর্মী-সমর্থকেরা এই কর্মসূচিতে যোগ দেন। নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক বিরাম মান্ডি, সিপিএমের জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য সুভাষ দে, জোনাল সম্পাদক ভবানী গিরি প্রমুখ। সভা থেকে দলীয় প্রধান আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিও জানানো হয়। গত বুধবার তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন কেশিয়াড়ির গগনেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিএম প্রধান বুধনচন্দ্র নাগ। ওই দিন দুপুরে আচমকাই পঞ্চায়েতে কার্যালয়ে হাজির হয় প্রায় ৪০ জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। পঞ্চায়েত প্রধানকে তারা মারধর করতে শুরু করে। স্মারকলিপি দেওয়ার নাম করেই তৃণমূলীরা পঞ্চায়েত কার্যালয়ে ঢুকেছিল। তাদের তাণ্ডবে কর্মচারীরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে প্রধানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য স্বীকার করে নেন, এমন ঘটনা বাঞ্ছনীয় নয়। সন্ত্রাস, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, জিনিসপত্রের দাম বাড়ার প্রতিবাদ এবং সমস্ত গরিব মানুষের নাম বিপিএল তালিকায় তোলার দাবিতে শুক্রবার কেশিয়াড়িতে মিছিল-সভা করে সিপিএম। দলের জোনাল সম্পাদক বলেন, “বিভিন্ন এলাকায় এখনও সন্ত্রাস চলছে। সাধারণ মানুষ উদ্বেগে রয়েছেন। পঞ্চায়েত কার্যালয়ে ঢুকে প্রধানকে মারধর করা হচ্ছে। অথচ পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করছে না। এ জন্যেই আমাদের প্রতিবাদ।”

এক জোড়া নতুন ট্রেন
দিঘা-তমলুক রেলপথের বিদ্যুদয়নের কাজ শেষ হয়েছে। আজ, শনিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে ইএমইউ-পরিষেবা চালু হবে। দিঘা-মেচেদা রেলপথে নতুন লোকাল-ট্রেনও চালু হবে। হাওড়া-হলদিয়া রুটেও নতুন লোকাল ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন হবে বলে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ-আধিকারিক সৌমিত্র মজুমদার জানিয়েছেন। শনিবার বিকেল ৫টায় হাওড়া স্টেশনে রেলমন্ত্রী মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে মূল-অনুষ্ঠানটি হবে। সে সময়ে দিঘা স্টেশনে রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি মেচেদাগামী লোকাল ট্রেনটির যাত্রা শুরুর সংকেত দেবেন। প্রতিদিন লোকাল-ট্রেনটি মেচেদা থেকে সকালে দিঘায় যাবে এবং দুপুরে দিঘা থেকে মেচাদা ফিরে আসবে। দিঘা-তমলুক রেলপথের বিদ্যুদয়নের পরে যাবতীয় ডিজেল-ইঞ্জিন চালিত ট্রেন ধাপে ধাপে তুলে বিদ্যুচালিত ট্রেন বা ইএমইউ চালু করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবির
মৎস্যক্ষেত্রে কর্মরত মহিলাদের আর্থ-সামাজিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে মৎস্য-দফতরের উদ্যোগে কাঁথিতে পাঁচদিন-ব্যাপী এক কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ শিবির শুক্রবার শেষ হল। পূর্ব মেদিনীপুরের মৎস্য-দফতরের সহ-অধিকর্তা (সামুদ্রিক) সুরজিৎ বাগ জানান, পাঁচদিন-ব্যাপী এই শিবিরে কাঁথি মহকুমার রামনগর ১ ও ২, কাঁথি ১ ও ২ এবং খেজুরি-২ ব্লকের ৫০ জন মহিলাকে মৎস্যচাষের বিভিন্ন প্রকল্প ছাড়াও মৎস্যচাষের সঙ্গে যুক্ত ধানচাষ, মাছ-শুষ্ককরণ পদ্ধতি ও রঙিন মাছচাষ নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। শিবিরে ছিলেন মৎস্য-দফতরের ভারপ্রাপ্ত অধিকর্তা প্রশান্ত বাগচি, উপ-মৎস্য-অধিকর্তা উৎপল সর, শৈলেন সরকার, মৎস্য দফতরের কল্যাণী রিসার্চ-সেন্টারের উপ-মৎস্যঅধিকর্তা এ এস আলভি এবং জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ বুদ্ধদেব ভৌমিক।

বিদ্যুতের মাসুল বৃদ্ধির প্রতিবাদ
পাঁচ মাসে চার-বার বিদ্যুৎ-মাসুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুক্রবার মারিশদায় বিদ্যুৎ দফতরের গ্রাহক-পরিষেবা কেন্দ্রে প্রতিবাদ জানাল ‘সারা বাংলা বিদ্যুৎ-গ্রাহক সমিতি’। স্মারকলিপি জমা দেওয়া ছাড়াও মারিশদা-বাজারে সভাও করে গ্রাহক-সমিতি। সভায় রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ-নীতির বিরোধিতা করে অভিযোগ করা হয়, কেরল-বিহারের মতো রাজ্য কৃষকদের কম দামে বিদ্যুৎ দিতে পারলে এই রাজ্যের সরকার কেন তা পারবে না? রাজ্যে সরকারের পরিবর্তন হলেও বিদ্যুতের বাণিজ্যিকীকরণ ও বেসরকারিকরণ নীতির কোন পরিবর্তন হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়। সারা বাংলা বিদ্যুৎ-গ্রাহক সমিতির রাজ্য কমিটির সদস্য সুশান্ত জানা, অশোক ধাড়া, মণীন্দ্রনাথ পয়ড়্যা প্রমুখ এ দিনের কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বৃদ্ধের অপমৃত্যু
ছেলের বাড়িতে বেড়াতে এসে অপমৃত্যু হল এক বৃদ্ধের। শুক্রবার সকালে হলদিয়ার হাজরা মোড়ে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাসিন্দা ওই ব্যক্তির নাম হরেকৃষ্ণ বর্মন (৭৮)। ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। চিকিৎসার কারণেই এক্সাইডে চাকরিরত ডাক্তার ছেলে জয়দেববাবুর বাড়িতে আসেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সকালে ঘরের মধ্যে ঝুলন্ত অবস্থায় হরেকৃষ্ণবাবুর দেহটি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন পরিবারের লোকজন। দুর্গাচক থানার পুলিশ গিয়ে দেহ ও একটি ‘সুইসাইড নোট’ উদ্ধার করে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, বার্ধক্যজনিত কারণে অবসাদ থেকেই ওই বৃদ্ধ আত্মঘাতী হয়েছেন।

জয়ী তৃণমূল
শিল্পশহর হলদিয়ার একটি ভোজ্যতেল কারখানার স্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী সংগঠনের ‘বার্গেনিং অথরিটি’র ভোটে জিতল তৃণমূল। শুক্রবার ভোটগ্রহণ হয় রুচি সোয়া-অয়েলে। কারখানা সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন ১৪৩ জন ভোটারের মধ্যে ১৩২ জন ভোট দেন। আইএনটিটিইউসি প্রভাবিত ‘গোলাপ ফুল’ ও সিটু প্রভাবিত ‘সূর্য’ প্রতীকে নির্বাচন হয়। ৯০টি ভোট পেয়ে জেতে আইএনটিটিইউসি।

জওয়ানের মৃত্যু
জঙ্গলমহলের আরক্ষা-শিবিরে কর্মরত এক সিআরপি জওয়ানের মৃত্যু হল শুক্রবার। সিআরপি-র ১৮৪ নম্বর ব্যাটেলিয়নের মহম্মদ আমিন আজম (২৬) দিন তিনেক আগে শালবনির কেয়াকোলের শিবিরের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে শালবনি ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই ভর্তি করা হয়েছিল। শুক্রবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। পরে সেখানেই মারা যান জম্মু কাশ্মীরের বারামুলার এই তরুণ।


First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.