রবিবাসরীয় প্রবন্ধ
মুখ ফুটছে, কারা টুটছে, প্রাণ জাগছে

পাপ তোমার লজ্জা আমার?
বিসর্জনে রঘুপতি হত্যার সপক্ষে একটা লম্বা ভাষণ দিয়েছিলেন, খানিকটা তাঁকে অনুসরণ করেই যেন পিতৃতন্ত্র বলে, তবে এসো বৎস, আর এক শিক্ষা দিই, পাপ পূণ্য কিছু নাই, কে বা জায়া কে বা আত্মজা, কে বলিল ধর্ষণ পাপ? ধর্ষণ অরণ্যের মাঝে, ধর্ষণ লোকালয়ে, ধর্ষণ পুলিশ থানায়, রাজনীতির গহ্বরে। মহাকাল, পিতৃতন্ত্র রূপে রয়েছেন দাঁড়াইয়া, দৃঢ়শিশ্ন লোলজিহ্বা মেলি, বিশ্বের চৌদিক বেয়ে নারী অশ্রুধারা ফেটে পড়িতেছে, নিষ্পেষিত দ্রাক্ষা হতে রসের মত, অনন্ত খর্পরে তার...
রাষ্ট্র যখন ধর্ষক। মণিপুরে মেয়েদের লড়াই।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমরা বাঙালিরা একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে আছি। তবে একটা ভরসার কথা এই যে, ধর্ষিতা মেয়েরা এগিয়ে এসে বলতে পারছেন, যে আমি ধর্ষিতা হয়েছি। ধর্ষণ যে একটা শারীরিক আক্রমণ, এর সঙ্গে নারীর ‘পবিত্রতা’ চির কালের মত নষ্ট হওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই, এই বোধটাও কিন্তু সম্ভব হয়েছে মেয়েদের দীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে। একের পর এক আইনি লড়াই লড়তে গিয়ে তাঁদের শুনতে হয়েছে, মেয়েটির চরিত্র খারাপ ছিল। শারীরিক প্রমাণ নাকি বলে দিয়েছে, একটা স্তরের পরে মেয়েটি ‘সম্মতি’ দিয়েছিল। রক্ষক প্রায়শই ভক্ষক হওয়ার জন্যে মেয়েদের লড়ে গিয়ে বলতে হয়েছে, থানায় মেয়ে পুলিশ না থাকলে সেই লক-আপে মেয়েদের রাতে রাখা যাবে না। এমনকী ধর্ষিতা মেয়েদের বোঝাতে হয়েছে যে ধর্ষিতা হওয়া মানেই জীবন শেষ হয়ে যাওয়া নয়। বলতে হয়েছে, ধর্ষণের সময় ঠিক কী হয়েছিল সেটা আদালতে বলতে বাধ্য করে সমবেত শিরশিরানি এবং মেয়েটির যন্ত্রণাকে বাড়ানো যাবে না। বলতে হয়েছে, প্রাগৈতিহাসিক পদ্ধতিতে যোনিপথ মেপে বলা যাবে না, সেই মেয়েটির যোনি (পড়ুন চরিত্র) কতটা শিথিল ছিল। এই অকল্পনীয় কঠিন আন্দোলন কিন্তু এগিয়েছে, এগিয়ে চলেছে, কারণ প্রাণের মায়া ছেড়ে, সব ভয় ভুলে ১৬ বছরের মথুরা আর ২৫ বছরের রামিজা বাইয়ের মতো মেয়েরা লড়ে গেছে।
আর আরও অনেক মেয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
বার বার এও প্রমাণিত হয়েছে যে ধর্ষণ কেবল বাড়ির বাইরে হয় না, কেবল অপরিচিত পুরুষেরা করে না। বাড়ির ভেতরে, বিয়ের ভেতরেও মেয়েরা নিরাপদ নয়।

মেয়েদের ছবি, মেয়েদের কথা
ইতিহাস জুড়ে বহু মহিলা মেয়েদের দাবি নিয়ে লড়াই করেছেন। তাঁদের এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ছবি, পোস্টাল স্ট্যাম্প প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু সেই ছবি যেন বড় বেশি একক মহিলার। তাতে অনেক মেয়ে মিলে লড়াই করার ছবি নেই।
সত্তরের দশকে একটা নারী আন্দোলনের জোয়ার এসেছিল। সেই সময়ে ছাত্র, বাম, কৃষক আন্দোলন থেকে যে মেয়েরা আসেন, তাঁরা নারী আন্দোলনে ব্যবহারের জন্য বহু পোস্টার তৈরি করেছিলেন।
নারী আন্দোলন যখন নিজেদের পোস্টার বানাতে শুরু করে তখন তাতে আসে মেয়েদের দলের ছবি, লড়াইয়ের রঙ। জ্বলন্ত বউয়ের শাড়ির লাল, আগুনের হলুদ আর ধর্ষক পুলিশের খাকি। ইতিহাসকে যেমন বার বার নতুন করে পড়ার ডাক আসে, সেই নতুন পাঠ থেকে নতুন মানে খুঁজে নিতে হয়, তেমনই পোস্টারকেও নতুন করে পড়া দরকার। আন্দোলনের হাতে-আঁকা পোস্টার আর এন জি ও-র ছাপা পোস্টার দেখতেও এক নয়, পড়তেও একনয়। মেয়েদের হাতে আঁকা পোস্টারে একটা ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা জোর ফুটে ওঠে।

জেলে যাব, বরের ঘরে নয়
১৮৬৪ সালে বম্বের এক ছুতার পরিবারে জন্মেছিলেন রুখমাবাই। দশ বছর বয়সে তাঁর বিয়ে হয়ে গিয়েছিল, দাদাজি ভিকাজি ঠাকুরের সঙ্গে। রুখমাবাই কখনও বাবার বা স্বামীর পদবি ব্যবহার করেননি। রুখমাবাই বাপের বাড়িতেই থাকতেন। তাঁর যখন ২২ বছর বয়স, স্বামী তখন দাবি করলেন, বউ যেন শ্বশুরবাড়ি এসে থাকে। রুখমাবাই অস্বীকার করলেন, কারণ এই বিয়ে তাঁর শিশু বয়সে তাঁর মত ছাড়াই হয়েছিল। স্বামী আদালতে গেলেন। রুখমাবাই বললেন আমি জেলে থাকতে তৈরি, আমি ফাইন দিতে রাজি, তবু আমি ওই স্বামীর ঘর করব না। রানি ভিক্টোরিয়াকে এক চিঠিতে তিনি লিখলেন, আমি সেই হতভাগ্য হিন্দু মেয়েদের এক জন, বাল্যবিবাহ যাদের জীবনে নিয়ে আসে অবর্ণনীয় দুঃখকষ্ট। এই প্রথা আমার সব সুখ নষ্ট করে দিয়েছে, আমাকে আমার সবচেয়ে যা প্রিয়, পড়াশোনা আর মনের বিকাশ, তার থেকে দূরে নিয়ে গিয়েছে। এই মামলা আদালতের বাইরে মিটেছিল। কিন্তু সম্মতির বয়স, বাল্যবিবাহ ইত্যাদি বিষয়ক আইনের ওপর এই ঘটনার প্রভাব পড়েছিল।
আজও আমাদের দেশে লক্ষ কোটি কমবয়সি মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, নিয়মিত। নারী আন্দোলনের একটা স্লোগান আছে, আমি সে দিন আর নারীবাদী থাকব না, যে দিন এই সমাজ আর পুরুষতন্ত্রী থাকবে না।
সে দিন আজও আসেনি।

সকল কলুষ তামস হর
নারোড়ার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক নেতা এবং বজরং দলের কর্মী বাবু বজরঙ্গি পটেল নারীদের ‘উদ্ধার’ করে থাকেন। কী রকম এই উদ্ধার? যারা ভিন্নধর্মে বিয়ে করেছে, সেই মেয়েদের তিনি গায়ের জোরে তুলে নিয়ে আসেন, সেই বিয়ে ভেঙে দেন। উনি নাকি আজ অবধি ৮০০-রও বেশি নারীকে এই ভাবে ‘উদ্ধার’ করেছেন। এই যে এমনকী বিয়ের মধ্যে দিয়েও হিন্দু নারীর ওপর ‘বলাৎকারের’ ধারণা, এর কুৎসিত প্রকাশ কিন্তু আমরা গোধরা-পরবর্তী হিন্দু-মৌলবাদী সংঠিত গণহত্যার মধ্যে দেখেছিলাম। মিশ্র বিবাহের দম্পতিদের বিশেষ করে খুঁচিয়ে বের করে মারা হয়েছিল। এই মতবাদে নারীর শরীরের ওপর দাঁড়িয়ে আছে ধর্ম ও সমাজের পবিত্রতা। ম্লেচ্ছ পুরুষ হিন্দু নারীর শরীরে ‘গমন’ করলে হিন্দু ধর্ম ও সমাজ অপবিত্র হয়ে ওঠে।
ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে খাপ-পঞ্চায়েত ইত্যাদির হাতে জাতপাতের নামে নারীর ওপর অত্যাচার এক বড় সমস্যা। নারীকে সমাজের সম্পত্তি হিসেবে দেখার বিরুদ্ধে আন্দোলন নারী আন্দোলনের তাই একটা বড় কাজের জায়গা।

ঘাবড়িয়ো না, তুমিও স্বাভাবিক
কে কাকে ‘নর্মাল’ বলে, সেই ক্ষমতার হিসেবটাকেই এই পাশের পোস্টারটা উল্টে দিয়েছে। পোস্টারটা বলছে, নরনারীর মধ্যে বিষমকাম সমকামিতার মতোই স্বাভাবিক। তার মানে যাদের সমাজ বিকৃত বলে গাল পাড়ে, তারাই গলা বাড়িয়ে তথাকথিত স্বাভাবিকদের বলছে, আরে তোমরা তো আমাদের মতোই স্বাভাবিক। ঘাবড়ানা মত্। প্রেম চালিয়ে যাও, আমরা আছি। কী আস্পর্ধা বলুন তো! আসলে নারী আন্দোলন পিতৃতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো, যেমন বিয়ে, পরিবার, ইত্যাদির ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ফলে প্রজননমুখী বিষমকামিতাকেই একমাত্র স্বাভাবিক যৌন অভ্যাস বলে প্রচার করাটাও যে একটা সামাজিক ক্ষমতার আস্ফালন, সেই সত্যটা উঠে এসেছে। এই ফাটল ধরে নানান নতুন যৌন অভ্যাস, আত্মপরিচয় মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে।

দশ হাতে ব্যাগার খাটি, পাই অপমান, খোঁটা, লাঠি
নারী আন্দোলনের পোস্টারে বার বার ফুটে উঠেছে নানান দেবী মূর্তি। তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল দশভুজা। দেশের নানান প্রান্তে নারী আন্দোলনের বিভিন্ন পোস্টারে এই ছবি দেখা যায়। এক হাতে খুন্তি, এক হাতে ঝাঁটা, এক হাতে বালতি, এক হাতে অন্য কিছু। সত্যিই তো ঘরে বাইরে মেয়েরা দশ হাতে কাজ করেন। তবু আজও অধিকাংশ শিশুকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলে, আমার মা কিছু করে না। এই নামে একটা ছবিও হয়েছিল, যাতে দেখানো হয়েছিল এক জন মহিলা ‘যিনি কিছু করেন না’, তিনি আসলে কত কিছু করেন।
নারী আন্দোলনের একটা প্রধান দিক হল পরিবার ও সমাজে এই মেয়েদের অর্থনৈতিক অবদানের মূল্য নির্ণয় করা। কারণ, এই শ্রমের অনেকটাই যায় বেতনহীন শ্রম হিসেবে। অথচ একটি পরিবারে স্বামীকে নাইয়েখাইয়ে অফিসে পাঠিয়ে বাজারে শ্রমের জোগান ঠিক রাখা, ছেলেমেয়ের খাওয়াপরা, পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়ে ভবিষ্যতের শ্রম বাজারে যোগ্য শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা করা, বৃদ্ধ শ্বশুর শাশুড়ির যত্ন করে তাঁদের চালু রাখা এই পুরো কাজটাই করেন বাড়ির বউরা। এঁদের শ্রমের ওপর ভর করেই পরিবারে ও সমাজে যত্ন-অর্থনীতি বা ‘কেয়ার ইকনমি’ টিকে থাকে।

আপনার মুখ আপনি দেখো
মেয়েদের পোস্টার নিয়ে লিখতে গিয়ে মেয়েরাই লিখেছেন যে, নিজেদের যে কী ভাবে দেখব, এটা একটা প্রশ্ন হয়ে ওঠে। ভাবা যেতে পারে, এ নিয়ে আবার ভাবার কী আছে, মেয়েরা তো ছেলেদের থেকে আলাদা দেখতেই হয়। বিদ্যা বালনকে তো আর কেউ অজয় দেবগনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবে না। কথাটা ঠিক। আমাদের দুনিয়াটা যদি এমন হত, যে নানান রকম সবাই আলাদা হয়েও সমান হতে পারত, তা হলে এই নিয়ে আলোচনার দরকার হত না। কিন্তু ভাবুন, এক জন দিদিমনিকে যখন ছোট করে চুল কাটার জন্য অভিভাবক আর ছাত্রীরা সভা ডেকে অপমান করছেন, যখন অধিকাংশ বাড়িতে বিয়ের পর একটি মেয়েকে প্যান্ট পরার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না, তখন একটি মেয়ে কেমন দেখতে সেই প্রশ্নটা আর খুব নিরীহ থাকে কি? তাই পোস্টার আঁকতে গিয়েও ভাবতে হয়, বিনুনি আঁকব? বুকটা কি ভারী না হলে ঠিক বোঝা যাবে না? আসল প্রশ্নটা বোধ হয়: কী বোঝা যাবে না? অথবা, কী বোঝানো দরকার আর কেনই বা? নারী মানে কি শুধুই শরীর? তাও আবার ছাঁচে ঢালা ধাঁচের?

গতর খাটিয়ে খাই, শ্রমিকের অধিকার চাই
নব্বইয়ের দশকে এইচ আইভি এডস মহামারির ভয় যৌনতার আলোচনাকে অনেক বেশি খোলামেলা করে তুলেছিল। যৌনতা নিয়ে আলোচনার এই খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে সামনে চলে এসেছিলেন এমন কিছু মেয়ে, যাঁদের আমরা এর আগে কখনও এমন প্রকাশ্য সভায় সমিতিতে আন্দোলনে দেখিনি। এই যৌনকর্মীরা দাবি তুললেন, ‘গতর খাটিয়ে খাই, শ্রমিকের অধিকার চাই’।
এই আন্দোলনের দাবির সঙ্গে নারীবাদীদের সবাই সহমত হলেন বলা যায় না। যৌনকর্মী আন্দোলন যৌনতা, পরিবার, নৈতিকতা ইত্যাদির গভীরে গেড়ে বসা প্রতি দিনের দ্বিচারিতা নিয়ে এমন কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন তুলল, যার সম্মুখীন হওয়ার সাহস হয়তো আজও আমরা পাইনি। যে কোনও অন্য শ্রমিকের মতো গতর খাটিয়ে খেলেও এঁদের শ্রমিকের স্বীকৃতি আজও মেলেনি।

ইউনিফর্ম মানে কিন্তু সমান
মেয়েটাকে দেখেছেন? কেমন পুলিশের উর্দি পরে ট্রাফিক সামলাচ্ছে! উর্দি বা ইউনিফর্মে একটা সাম্য আছে, তাই না? এই সমান পোশাক পরে সমান কাজের অধিকারও কিন্তু সহজে আসেনি। অনেক লড়ে আদায় করতে হয়েছে। মেয়েদের কত কাজ আজও অদৃশ্য। যে কোনও কারখানায় যান, পাকা চাকরির বাইরে হাজার হাজার ঠিকা শ্রমিক কাজ করে চলেছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম পয়সায় সবচেয়ে কষ্টের কাজ করে চলেছে মেয়েরা। কিন্তু কোথাও কোনও শ্রমিক আন্দোলনের পোস্টারে শ্রমিকের প্রতীক হিসেবে মেয়েদের ছবি দেখেছেন? যে কোনও খেতের দিকে তাকালেই দেখবেন পুরুষের পাশাপাশি বা কেবল নিজেরা দল বেঁধে চাষের কাজ করছে মেয়েরা। কিন্তু কৃষক বলতে কোনও মেয়ের মুখ ভেসে ওঠে আমাদের মনে, আমাদের ‘জয় জওয়ান জয় কিসান’ পোস্টারে? সিনিয়র মহিলা আই এ এস অফিসারের গায়ে হাত দিয়ে বছরের বছর পার পেয়ে যান আমাদের দেশের এক ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ। নারী আন্দোলনের চাপেই কিন্তু শেষ অবধি বিচার হয় তাঁর।


শেষ যুদ্ধ শুরু আজ, কমরেড?
নারী আন্দোলনের বেশ কিছু পোস্টারে সমাজতান্ত্রিক রাজনীতির ছাপ দেখা যায়। সংগঠিত বাম আন্দোলন অবশ্য নারীবাদকে কখনও ভাল চোখে দেখেনি। শ্রেণি-ঐক্যের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে, এই ভয়ে সব সময় এই আন্দোলনকে বিভাজক হিসেবেই দেখেছে। শ্রেণি-আন্দোলনের পথেই নারীমুক্তি ঘটবে, এই প্রতিশ্রুতি এখনও প্রমাণের অপেক্ষায়।

হায় রাম!
২০০৯-এর জানুয়ারি মাসে ম্যাঙ্গালোরের একটি পাব-এ ঢুকে মেয়েদের মারধর করে ‘রাম সেনে’ নামক একটি বাহিনী। এর পর এই রাম সেনে ভারতীয় সংস্কৃতি-বিরোধী বলে ভ্যালেন্টাইনস ডে উদ্যাপনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এই ঘটনার প্রতিবাদে একটি নারী সংগঠন, যারা নিজেদের নাম দিয়েছিল ‘কনসর্টিয়াম অব পাব-গোয়িং লুজ অ্যান্ড ফরওয়ার্ড উইমেন’ (পানশালায় যাওয়া চরিত্রহীন ও আধুনিকা নারীসংঘ), ‘পিঙ্ক চাড্ডি ক্যাম্পেন’ নামে একটি প্রতিবাদ সংগঠিত করে। ভ্যালেন্টাইনস ডে-র দিন রাম সেনের অফিসে বহু গোলাপি রঙের অন্তর্বাস পাঠানো হয়।

চুপ চুপ লক্ষ্মীটি?

ঋণ: আওয়ার পিকচার্স, আওয়ার ওয়ার্ডস: আ ভিসুয়াল জার্নি থ্রু দ্য উইমেন’স মুভমেন্ট।
লক্ষ্মী মূর্তি ও রাজশ্রী দাশগুপ্ত, জুবান ও posterwomen.org, একটি জুবান উদ্যোগ


First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.