বিকল্প সেতুর দাবি
লিপুরদুয়ার শহর থেকে কোচবিহার জেলার দুরত্ব কমাতে কালজানি নদীর উপর বিকল্প সেতুর দাবি জানালেন এলাকার বাসিন্দারা। শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের দ্বীপচর এলাকায় কালজানি নদীর অপর প্রান্তে থাকায় এলাকার বাসিন্দাদের বর্ষার সময় রেল সেতু পার করে শহরে আসতে হয়। ওই এলাকাকে শহরের সাথে যুক্ত করার পাশপাশি কোচবিহার জেলার সঙ্গে দূরত্ব কমানোর জন্য কালজানি নদীর উপর বিকল্প সেতুর দাবি তুলেছেন ব্যবসায়ী সংগঠন। শহর থেকে ফালাকাটা সড়কের উপর কালজানি নদীর উপর একটি সেতু রয়েছে। ওই রাস্তা দিয়ে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দুরে কোচবিহার শহরে যাতায়াত করেন বাসিন্দারা। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পাশ দিয়ে নতুন সেতু তৈরি হলে কোচবিহারের সঙ্গে দূরত্ব প্রায় ৫-৬ কিলোমিটার কমবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। আলিপুরদুয়ারের কংগ্রেস বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায় জানান, শহরের দ্বীপচর এলাকাকে শহরের সাথে যুক্ত করা ও কোচবিহার শহরের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর জন্য বিকল্প সেতুর দাবি রয়েছে দীর্ঘদিনের। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মাটি পরীক্ষা ও সমীক্ষা করার জন্য আলিপুরদুয়ার পুরসভা জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কর্তৃপক্ষকে দ্বায়িত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, “২১ জুলাই সমীক্ষা শুরু হবে। তারপর সমীক্ষার রিপোর্ট দেখে সেতু তৈরির প্রয়োজনীয় বাজেট তৈরী করবে পূর্ত দফতর। বাজেট তৈরি হলে সেতুর প্রয়োজনীয় টাকার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিতে আবেদন জানানো হবে।” পুর চেয়ারম্যান দীপ্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শহরের কালজানি নদীর ওপারে থাকা ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের দ্বীপচর এলাকায় যাতায়াতের সমস্যার জন্য উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। বারবার এলাকার বাসিন্দারা নদীর উপর সেতু তৈরির দাবি জানিয়েছেন। বর্ষায় জীবন হাতে নিয়ে দ্বীপচরের বাসিন্দা ও পার্শ্ববর্তী জেলা কোচবিহারের খোলটার বহু লোক রেল সেতুর উপর দিয়ে শহরে আসেন। সেতু তৈরির জন্য সমীক্ষা চালানো হবে। আলিপুরদুয়ার চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ দে বলেন, “শহরের সঙ্গে কোচবিহারের যোগযোগের জন্য কালজানি নদীর উপর একটি মাত্র সেতু রয়েছে। আমরা চাইছি শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পাশ দিয়ে একটি বিকল্প সেতু করা হোক। এতে শহরের যানজট সমস্যা যেমন অনেকটা কমবে পাশাপাশি কোচবিহার শহরের দুরত্ব প্রায় ৫-৬ কিলোমিটার কমে আসবে।” দ্বীপচরের বাসিন্দা ধনেশ্বর বর্মন, অরুনমণি দাসরা জানান, শীতে কালজানি নদীর জল কম থাকায় তারা নৌকায় পারাপার করেন। বর্ষায় নদীতে জল বেড়ে যাওয়া তাদের শহরে নিত্যদিনের কাজ আসতে হয়। রেল সেতু দিয়ে এলাকার পড়ুয়াদেরও শহরে স্কুলে আসতে হয়। জীবনের ঝুকি নিয়ে রেল সেতু পার হতে হয়। পার্শ্ববর্তী জেলা কোচবিহারের খোলটার কুমারপাড়ারা বাসিন্দা রশিদা বেগম, প্রণব দে, তাপস সাহারা বলেন, “প্রতিদিন রুজির টানে আমাদের শহরে আসতে হয়। দ্বীপচর এলাকা দিয়ে কালজানি নদীর উপর বিকল্প সেতু হলে যাতায়াতের সমস্যা মিটবে।”



First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.