টুকরো খবর
সপা মজে সফর-উৎসবে, সরব বিরোধীরা

৮ জানুয়ারি
ত্রাণশিবিরে গোষ্ঠী সংঘর্ষের শিকার লোকগুলোর কষ্টের শেষ নেই। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিংহ যাদব এবং সমাজবাদী পার্টির (সপা) প্রধান মুলায়ম সিংহ যাদব-সহ একাধিক নেতা-মন্ত্রী বুধবার ব্যস্ত রইলেন সাইফাই মহোৎসবের বলিউড সন্ধ্যায়! রাজ্যের আট মন্ত্রী-সহ ১৭ জনের একটি দল আবার সকালেই বেরিয়ে পড়েছেন বিদেশ সফরে! ২০ দিনের এই সফরের নাম ‘স্টাডি ট্যুর’। সলমন খান থেকে মাধুরী দীক্ষিত, আলিয়া ভট্ট, সারা খান, সুরকার জুটি সাজিদ-ওয়াজিদ, গায়ক জাভেদ আলি প্রমুখ অতিথিকে সাইফাই মহোৎসবে আনতে সাতটি বিমান ভাড়া করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন অখিলেশ-মুলায়ম। বিএসপি নেতা সুধীন্দ্র ভাদোরিয়া বলেন, “উত্তরপ্রদেশ সরকার মানবিক সত্তা হারিয়ে ফেলেছে। যখন ত্রাণ শিবিরে শিশুরা মারা যাচ্ছে, বলিউড তারকাদের নিয়ে নাচাগানা চলছে।” এর মধ্যেই অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে দিয়েছে এটাওয়া প্রশাসন। বিরোধীদের দাবি, বিতর্ক ধামাচাপা দিতেই অনুষ্ঠান সম্প্রচার করতে দিচ্ছে না সরকার। রাজ্যের মন্ত্রী রাজেন্দ্র চৌধুরী বলেন, “শিল্পসংস্কৃতিতে উৎসাহ জোগাতেই উৎসব।” বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের মন্ত্রীদের বিদেশ সফরের খরচ নিয়েও। ১৭ সদস্যের ওই দলটি তুরস্ক, গ্রিস, নেদারল্যান্ডস, ব্রিটেন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি যাবে। এক বিধায়ক বলেন, “এই ধরনের সফর খুবই ভাল। এতে অভিজ্ঞতা হয়। আর সফরের জন্য মাথাপিছু খরচ পাঁচ লাখের বেশি ছাড়াবে না।”

জঙ্গি হামলা, বাঁচলেন বিধায়ক
প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন আগেই। আজ তাঁর উপর হামলার চেষ্টা করল জঙ্গিরা। কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় বাঁচলেন ঝাড়খণ্ডের কংগ্রেস বিধায়ক কে এন ত্রিপাঠী। ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হল বিচ্ছিন্ন মাও জঙ্গি সংগঠন তৃতীয় প্রস্তুতি কমিটি (টিপিসি)-র দুই জঙ্গিকে। ধৃতদের একজন ওই সংগঠনের পলামু এলাকার আঞ্চলিক কমান্ডার। পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে পলামুর নওয়াডিহতে একটি সমাবেশে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন ত্রিপাঠি। তখনই তাঁর কনভয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে সশস্ত্র দুই জঙ্গি ঢুকে পড়ে। পুলিশ পথ আটকানোয় তারা বিধায়কের গাড়ির কাছে পৌঁছতে পারেনি। জেলার পুলিশ সুপার নরেন্দ্রকুমার সিংহ জানান, ধৃত অজয় ভুঁইঞা টিপিসি-র আঞ্চলিক কমাণ্ডার। এ কে ৪৭ রাইফেল ছিল তার কাছে। পুলিশ কর্মীরা অস্ত্রটি দেখতে পেয়ে যান। এরপরেই বাইকটিকে ধরে ফেলা হয়। দুই জঙ্গির কাছ থেকে দু’টি এ কে ৪৭ রাইফেল, একটি দেশি রিভলবার আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, দু’মাস আগে ওই বিধায়ককে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল মাওবাদীরা। বিধায়ক নিজেই আজ বলেন, “মাওবাদীরা টেলিফোনে হুমকি দিয়েছিল। পুলিশকে জানিয়েছিলাম। জঙ্গিরা আমার কাছাকাছি পৌঁছনোর আগে নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের ধরে ফেলে।”

মোদীর ব্রিগেডে আসন পেতে চাঁদা অনলাইনে
ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদীর সভার জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু করল রাজ্য বিজেপি। রাজনৈতিক সমাবেশের জন্য ইন্টারনেটে নাম লেখানোর এমন ব্যবস্থা রাজ্যে এই প্রথম। অভিনব প্রক্রিয়া চালু করে ফলও পেয়েছে বিজেপি! নিখরচায় নাম লেখানোর সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ব্রিগেডে হাজিরার জন্য চাঁদা দিতেই অনলাইনে বেশি উৎসাহ দেখাচ্ছেন আবেদনকারীরা। বুধবার দলের রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহ নাম নথিভুক্তির সূচনা করেছেন। এ দিন রাত পর্যন্ত নাম নথিভুক্তির সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই আসনের জন্য ১০০ থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত দিয়েছেন। রাহুলবাবুর কথায়, “বিনা পয়সায় নাম লেখানোর সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যে ভাবে আবেদনকারীরা আর্থিক অনুদান দিচ্ছেন, তাতে আমরা অভিভূত!” রাহুলবাবুর বক্তব্য, বাংলায় তাঁদের বিশেষ আর্থিক সামর্থ্য নেই বলে তাঁরা অনুদানের আর্জি জানিয়েছেন। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন শপিং মলেও বিজেপি কর্মীরা ব্রিগেডের জন্য নাম নথিভুক্ত করাতে বসবেন। মোদীর ব্রিগেড-সভা ৫ ফেব্রুয়ারি। তার সাত দিন আগে অনলাইনে নাম নথিভুক্তি বন্ধ হবে।

পলামুতে ধৃত ৪ দলছুট মাওবাদী
সরকারি প্রকল্প থেকে লেভি আদায়ের জন্য কয়েক দিন আগেই ইঞ্জিনিয়ারদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল দলছুট মাওবাদীরা। তার পর থেকে জঙ্গিদের উপরে নজরদারি শুরু করে পুলিশ। শেষ পর্যন্ত আজ সকালে পলামুর দুলসুলমা গ্রামে হানা দিয়ে চার জঙ্গিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত জঙ্গিদের নাম রংবাহাদুর ওরফে রাকেশজি, ইন্দ্রদেব সিংহ, সঞ্জয় সিংহ ও নন্দদেব প্রসাদ। দুলসুলমায় রাকেশজির ঘরে বসেই তোলাবাজির ছক কষছিল তারা। খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িটি ঘিরে ফেলে। ঘটনাস্থল থেকেই বমাল গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারী অফিসাররা জানান, ধৃতরা দলছুট মাওবাদী জঙ্গি সংগঠন ‘ঝাড়খণ্ড প্রস্তুতি কমিটি’র সদস্য। সতবরওয়ায় বিদ্যুৎ পর্ষদের একটি সাব-স্টেশন তৈরির কাজ চলছে। গত মাসের ২২ তারিখ জঙ্গিরা সেখানে গিয়ে দু’ লক্ষ টাকা লেভি চায়। লেভি না দিলে স্থানীয় ইঞ্জিনিয়ারদের তার ফল ভোগ করতে হবে বলে হুমকিও দেয় তারা। পলামুর এক পুলিশ আধিকারিকের কথায়, “রাজ্যে মাওবাদীদের নিয়ে এখন যত না সমস্যা, তার চেয়ে বেশি সমস্যা এই সব দলছুট জঙ্গিদের নিয়ে। তোলাবাজি চক্রটা তারাই চালাচ্ছে।”

টানা লোডশেডিং ধুবুরিতে
টানা লোডশেডিংয়ে নাকাল ধুবুরির বাসিন্দারা। প্রতিদিন ধুবুরি এবং লাগোয়া এলাকার দিনে ও রাতে পালা করে ৫-৬ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে বলে অভিযোগ। বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক না হলে আন্দোলনের হুমকি দেন বাসিন্দারা। সমস্যার কথা স্বীকার করে অসম বিদ্যুৎ পর্ষদে ধুবুরির বাস্তুকার সূর্য প্রধান বলেন, “চাহিদা এবং সরবরাহের গোলমালের জেরেই সমস্যা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।” পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধুবুরি জেলায় মোট ২৩ মেগাওয়াট বিদ্যুতের দরকার। শুধু ধুবুরি শহরের জন্য দরকার ১২ মেগাওয়াট। কিন্তু প্রতিদিন সরবরাহ হচ্ছে ৪-৫ মেগাওয়াটের মত। তা দিয়েই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে। শহরের শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়েছে, তাতে দুই ঘন্টা বিদ্যুৎ টানা থাকলে অবাক হয়ে যাচ্ছি।” এই পরিস্থিতিতে বাসিন্দাদের নিয়ে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে নানা ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক দলগুলি। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে পর্ষদ অফিস অচল করা হবে।

নাগা শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত
ফের ধাক্কা খেল নাগা শান্তি প্রক্রিয়া। শান্তি আলোচনার সময় এনএসসিএন (আইএম) নেতা থুইংলেং মুইভা ও ইসাক চিসি সুকে কেন্দ্র জানিয়েছিল, নাগাল্যান্ডের সব সংগঠন ও উপজাতি গোষ্ঠীগুলি রাজি না-হলে শুধু আইএম-এর সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে লাভ হবে না। তারপরই, এক বছর ধরে নাগাল্যান্ড সফর করে সব উপজাতির সঙ্গে বৈঠক করে সার্বিক শান্তিচুক্তির দিকে অগ্রসর হয়েছিলেন মুইভা। টাংখুল নাগা অধ্যূষিত আইএম বাহিনীর বিরোধী সুমি উপজাতিও নরম হয়েছিল। কিন্তু, সম্প্রতি জুনাবটো এলাকায় আইএম বাহিনীর হাতে দুই সুমি মহিলার শ্লীলতাহানির জেরে আইএম বাহিনী মুকালমি শিবির ছাড়তে বাধ্য হওয়ায় সেই মনোভাব অনেকটাই পালটে যায়। এ বার, সুমি গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এনএসসিএন (আইএম) বাহিনীর সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে। তাদের সুমি এলাকায় ঘাঁটি গড়তে দেওয়া হবে না।

অপহৃতা ছাত্রী পালিয়ে থানায়
স্কুলে যাওয়ার পথে অপহৃত হল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। কিন্তু পালাবার সময় অপহরণকারীদের গাড়ি খারাপ হওয়ার সুযোগে পালাল সে। ঘটনাটি ঘটেছে লখিমপুর জেলার বিহপুরিয়ায়। পুলিশ জানায়, আজ সকালে ১৪ বছরের কিশোরী টুলুমণি গোয়ালা স্কুলে যাচ্ছিল। তখনই বিহপুরিয়ার রাজবাড়ি এলাকায় মুখ ঢাকা চার ব্যক্তি রাস্তা থেকে তাকে একটি গাড়িতে তুলে নেয়। গাড়ি ছোটে অরুণাচলের দিকে। কিন্তু অরুণাচলে ঢোকার পরে অপহরণকারীদের গাড়ি খারাপ হয়ে যায়। চার অপহরণকারী যখন গাড়ি সারাতে ব্যস্ত তখনই টুলুমণি গাড়ি থেকে নেমে চীৎকার করতে করতে দৌড় লাগায়। পরে স্থানীয় মানুষ তাকে পুলিশের কাছে নিয়ে আসে।

সন্তানদের নিয়ে কুয়োয় ঝাঁপ
চার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে কুয়োয় ঝাঁপ দিলেন এক মহিলা। পুলিশের অনুমান, পারিবারিক বিবাদের জেরে তিনি সন্তানদের নিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। আজ সারন জেলার পানাপুরের খাজুরি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানায়, ওই মহিলার নাম রেহানা খাতুন ওরফে গুড়িয়া(৩৮)। স্থানীয় সূত্রের খবর, আজ সকালে চোদ্দো বছরের ছেলে এবং তিন মেয়েকে নিয়ে তিনি জলে ঝাঁপ দেন। রেহানার স্বামী শিলিগুড়িতে একটি সংস্থার কর্মী। দেহগুলি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে।

ব্যাঙ্ক লুঠ, ধৃত ২
এটিএম-এর সামনে থেকে লুঠ হওয়া ৬৬ লক্ষ টাকার মধ্যে ২৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করল ইটানগর পুলিশ। ধরা পড়ল দুই দুষ্কৃতীও। গত ২০ ডিসেম্বর ইটানগরে একটি ব্যাঙ্কের এটিএম-এ টাকা ভরতে যাওয়া ব্যাঙ্ককর্মীদের কাছ থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা লুঠ করে পালায় সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা। জড়িত অভিযোগে ইটানগর ও নিরজুলি থেকে ব্যাবাং পুনুং ও গুরাং আজব নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে ২৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়।

কংগ্রেসের নিশানায় এখন পঞ্জাব
হিমাচলপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংহের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে ক’দিন আগেই রাহুল গাঁধীর বাড়ি ঘেরাও করেন বিজেপি সমর্থকরা। তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তও দাবি করেছিলেন অরুণ জেটলি। আজ পঞ্জাবে অকালি-বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মাদক পাচারচক্রে মদতের অভিযোগ এনে পাল্টা সিবিআই তদন্ত দাবি করল কংগ্রেস। অভিযোগ, পঞ্জাবের উপ মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর বাদলের শ্যালক বিক্রম মাজিঠিয়া মূল চক্রী। চক্রে নাকি জড়িত তিন মন্ত্রীও। পঞ্জাব নির্বাচনের সময় সেখানে প্রচারে গিয়ে মাদক পাচার চক্রের প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেছিলেন রাহুল। ওই চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্প্রতি পঞ্জাব পুলিশের এক ডেপুটি সুপার গ্রেফতার হন। জগদীশ ভোলা নামে ওই অফিসার জেরায় রাজ্যের তিন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ করেছেন। জানিয়েছেন, উপ মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর বাদলের শ্যালকই মূল চক্রী। জগদীশের জবানবন্দির পর এখন বিষয়টি নিয়ে আরও তেড়েফুঁড়ে নামতে চাইছে কংগ্রেস।

হাওড়ামুখী রাজধানীর কাচ ভাঙল ইটপাথরে
বিহারের পার্শ্বনাথ স্টেশন পেরিয়ে জোরেই ছুটছিল হাওড়ামুখী রাজধানী এক্সপ্রেস। তেঁতুলমাটি স্টেশনের কাছে আচমকাই বিকট আওয়াজ শুরু হয়। ভেঙে যায় দু’টি জানলার কাচ। দরজা খুলে দেখা যায়, এক দল উত্তেজিত যুবক ট্রেন তাক করে বড় বড় ইটপাথর ছুড়ছে। কেন? জানা যায়নি। হাওড়ায় নেমে রাজধানীর এ-২ কামরার যাত্রী লাল্টু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মনে হচ্ছিল, ইস্পাতের দেওয়ালে কারা যেন লোহার রড দিয়ে পেটাচ্ছে।” ভয় পেয়ে কেউ কেউ চেন টানারও চেষ্টা করেন। দু’টি জানলা ভেঙে কাচ ছড়িয়ে পড়ে। ট্রেনের আরপিএফ ছুটে আসে। আসেন ট্রেন সুপার মনোময় মণ্ডলও। তিনি বলেন, “চালক ট্রেন না-থামানোয় ওরা বেশি পাথর মারতে পারেনি।” আগেও অনেক বার ওই জায়গায় রাজধানী এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনে এমন ঘটনা ঘটেছে। কেন? তদন্ত করছে রেল।

হামলা আপ দফতরে
কাশ্মীর নিয়ে মুখ খুলে আগেও নিগৃহীত হন প্রশান্ত ভূষণ। এ বার একই কারণে বুধবার ভাঙচুর চালানো হল তাঁর দল আম আদমি পার্টি (আপ)-র গাজিয়াবাদ সংলগ্ন কৌশাম্বীর দফতরে। এ বারও অভিযোগের আঙুল উঠেছে হিন্দু রক্ষা দলের বিরুদ্ধে। হিন্দু রক্ষা দলের আহ্বায়ক পিঙ্কি চৌধুরী এবং ১২ জন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে গাজিয়াবাদ পুলিশ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে হিন্দু রক্ষা দল। বুধবার বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ হিন্দু রক্ষা দলের ৫০-৬০ কর্মী আপের দফতরে আধ ঘণ্টা ধরে ফুলের টব, কাচের জানলা ভাঙে বলে অভিযোগ।

আর এক নির্ভয়া
যুঝছে আর এক নির্ভয়া। ২০১২-র অগস্টে রাজস্থানের সিকারে গণধর্ষণের শিকার হয়েছিল বছর বারোর মেয়েটি। এর পর জয়পুরের জে কে লোন হাসপাতাল থেকে দিল্লির এইমস, অস্ত্রোপচার হয়েছে ১৯ বার। ফের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। দিনও ঠিক হয়েছিল ৩ জানুয়ারি। কিন্তু তার ধকল নেওয়ার শক্তি না থাকায় তা করা যায়নি। অভিযুক্তদের চার জন বেপাত্তা। ধৃত ২ জনের বিচার চলছে।

সর্বজিৎ মামলা
পাক জেলে ভারতীয় বন্দি সর্বজিৎ সিংহের খুনের মামলার শুনানি শুরু হল বুধবার। গত বছর মে মাসে মৃত্যু হয় ১৯৯০ সালে লাহৌরের ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত সর্বজিৎ সিংহের। অভিযোগ ওঠে, পাকিস্তানের কোট লাখপত জেলে দু’জন সহ-বন্দি বেধড়ক মারধর করে সর্বজিৎকে।

পুরনো খবর:
আগেই বসছে
এপ্রিল-মে মাসে হতে পারে লোকসভা ভোট। তাই ফেব্রুয়ারির গোড়ায় সংসদের অধিবেশন বসতে চলেছে। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কমল নাথ বুধবার জানান, ভোট অন অ্যাকাউন্ট ছাড়াও দুর্নীতি রোধের কিছু আইন পাশ করানোর চেষ্টা হবে অধিবেশনে।

সনিয়া মন্দির
তেলঙ্গানা পৃথক রাজ্য ঘোষণা করার জন্য ধন্যবাদ জানাতে সনিয়া গাঁধীর একটি মন্দির বানিয়ে ফেললেন অন্ধ্রের কংগ্রেস বিধায়ক শঙ্কর রাও। মন্দিরে রয়েছে ৫০০ কেজি ব্রোঞ্জের সনিয়া-মূর্তি। মন্দিরের জন্য ৯ একর জমি ও সব খরচ দিয়েছেন তিনি।

আপে মল্লিকা
আম আদমি পার্টিতে যোগ দিলেন নৃত্যশিল্পী মল্লিকা সারাভাই। ২০০৯ সালে তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে গাঁধীনগর কেন্দ্রে আডবাণীর বিরুদ্ধে ভোটে লড়েছিলেন।


First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.