খেলা
ঘরের মাঠে জয়
চার দলের ভলিবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল। বাকসাড়া অনুশীলন চক্রের সঙ্গে পোস্টাল স্পোর্টস বোর্ডের লড়াই। শেষ পর্যন্ত নিজেদের মাঠে বাকসাড়ার সুনাম ধরে রাখলেন অনুশীলন চক্রের রাজকুমার মণ্ডল, সুশোভন মাইতিরা।
ভলিবলই অনুশীলন চক্রের পরিচয়। বছর কয়েক আগেই পঞ্চাশ পেরিয়েছে এই ক্লাব। ক্লাব সচিব কল্যাণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ছোট মাঠ। তবু প্রায় ৯০ জন শিক্ষার্থী এখানে নিয়মিত ভলিবল শেখেন। স্থানাভাবে অনেককে নিতে পারি না। খুদেদের উত্‌সাহ বাড়াতেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন।”
ছবি: দীপঙ্কর মজুমদার।
প্রথম সেমিফাইনালে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ দলকে হারায় অনুশীলন চক্র। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে পোস্টাল স্পোর্টস বোর্ড হারিয়ে দেয় কলকাতা পুলিশকে। প্রসেনজিত্‌ চট্টোপাধ্যায়, সোমনাথ মাইতি, প্রসেনজিত্‌ দত্তরা এক সময় বাংলার হয়ে খেলেছেন। এখন তাঁরা পোস্টাল দলে। কিন্তু বৃষ্টি ভেজা কোর্টে তাঁরা বিশেষ কিছু করতে পারলেন না। নৈশালোকে খেলা। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে অনুশীলন চক্র। অনুশীলনের সুশোভন ইতিমধ্যে বাংলা দলে খেলেছেন। বাবা মাছ বিক্রি করেন। গ্রিন পুলিশের কাজে যুক্ত সুশোভনের আক্ষেপ, “ভাল চাকরি পেলে খেলা চালিয়ে যাওয়া সহজ হত।”
গত ডিসেম্বরে সিনিয়র জাতীয় ভলিবলে বাংলা দলে অনুশীলন চক্রের ছয় জন খেলোয়াড় সুযোগ পান। ২০১১-’১২-তে রাজ্য মিনি ভলিবলে অনুশীলন চক্রের ছেলেরা চ্যাম্পিয়ন হয়। সচিব কল্যাণবাবু বললেন, “স্থানীয় কাউন্সিলর তথা পুর চেয়ারম্যান স্বপ্না ভট্টাচার্যের সহযোগিতায় ইতিমধ্যে আমাদের মাঠে আলোর ব্যবস্থা হয়েছে। তবে একটি মাল্টিজিম প্রয়োজন। মাঠে মাটি ফেলা দরকার।”
“আমরা পদ্মপুকুরের মাটি চেয়ে হাওড়ার মেয়র মমতা জয়সোয়ালের কাছে চিঠি লিখেছি,” বলছিলেন কোচ চঞ্চল বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মেয়র পারিষদ সমীর সাহা। তাঁর আশ্বাস, “এই মাঠে যাতে দ্রুত মাটি পড়ে তার ব্যবস্থা করব।” উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান কোচ গোবিন্দলাল মুখোপাধ্যায়।




অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.