টুকরো খবর
গারো পাহাড়ে ধর্ষণ, গ্রেফতার
ফের গণধর্ষণের ঘটনা ঘটল মেঘালয়ে। এ বারেও গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে গারো পাহাড়ের লাপালাং এলাকায় ১৮ বছরের একটি মেয়েকে অপহরণ করা হয়। বাড়ি থেকে বের হয়ে শৌচালয়ে যাওয়ার সময় ঘাপটি মেরে থাকা দুষ্কৃতীরা মেয়েটিকে অপহরণ করে। মেয়ে ঘরে না ফেরায় সেই রাতেই মেয়েটির পরিবার থানায় অভিযোগ জানায়। তল্লাশিতে নামে পুলিশ। গত কাল পাওয়ার গ্রিড চত্বরের কিছু মানুষ দেখতে পান দুই যুবক একটি মেয়েকে সেনা ছাউনির পিছনে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হানা দেয়। সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মেয়েটি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। এখনও তাঁর জ্ঞান ফেরেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ হিলারি মিনসং (১৮), বিক্রমকুমার দাস (২০) ও এক ১৫ বছর বয়সী এক বালককে গ্রেফতার করেছে। এর আগে, গত ১৩ ডিসেম্বর উইলিয়াম নগর গণধর্ষণ কাণ্ডেও ১৮ বছরের একটি মেয়েকে ১৬ জন মিলে ধর্ষণ করেছিল। ধরা পড়া ১৫ জনের মধ্যে বেশির ভাগের বয়সই ১৫ বা তার কম। সেই ঘটনার বিচারের জন্য চারদিন আগে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কুরিয়েনকে শীঘ্রই সরাতে পারেন সনিয়া
কেরল কংগ্রেসের নেতা পি জে কুরিয়েনকে বাঁচানো ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে সনিয়া ও রাহুল গাঁধীর পক্ষে। বরং ধর্ষণের ঘটনার জেরে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারপার্সন পদ থেকে কুরিয়েনকে সরানোর সম্ভাবনা বাড়ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বই। ১৯৯৬ সালে কেরলের সূর্যনেল্লিতে একটি গণধর্ষণের ঘটনায় কুরিয়েনের বিরুদ্ধে অভিযোগে উঠেছিল। সুপ্রিম কোর্ট কুরিয়েনকে দু’বার ছাড়পত্র দেয়। ফের সেই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় কেরলে। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্মরাজন কেরলের এক সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, তাঁর গাড়িতে চেপে কুরিয়েন অকুস্থলে যান। কুরিয়েনের নাম আদালতে না জানানোর ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন তদন্তকারী অফিসার। ধর্মরাজনের এই দাবির পরে ফের মামলার তদন্ত শুরু করার দাবি উঠেছে। বিধানসভার সামনে বিরোধীরা আজ বিক্ষোভও দেখান। কংগ্রেস সূত্রে খবর, বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই কুরিয়েনকে পদত্যাগ করতে হতে পারে।

টাকা দিয়ে মুক্ত প্রধানশিক্ষিকা
এক উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে অপহরণ করল দুষ্কৃতীরা। গত কাল তাঁকে মুক্তি দেওয়া হলেও স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, মুক্তির বিনিময়ে মোটা টাকা দিতে হয়েছে তাঁর পরিবারকে। ঘটনাটি ঘটেছে অরুণাচলের লোহিত জেলার মহাদেবপুর এলাকায়। পুলিশ সূত্রে খবর, দুই সশস্ত্র অপহরণকারী সরকারি ওই স্কুল চত্বরের ভিতরে, প্রধানশিক্ষিকার আবাস থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। পুলিশ তদন্তে নেমেও তাঁর সন্ধান পায়নি। গত কাল তিনি বাড়ি ফেরেন। জানা গিয়েছে, ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে অসমের তিনসুকিয়া জেলার সুমোনি গ্রামের কাছে এক নদীর পারে অপহরণকারীরা তাঁকে মুক্তি দেয়। পুলিশ মুক্তিপণের বিষয়ে মুখে কুলুপ আঁটলেও, ইদু-মিশমি ছাত্র সংগঠন পুলিশের ব্যর্থতার নিন্দা করে জানায় মোটা টাকা মুক্তিপণের বিনিয়মে মানাদেবীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সংগঠনগুলি পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদে সরব হয়েছে। তাদের বক্তব্য, অসমের দুষ্কৃতীরা অরুণাচলে এসে, নাগাড়ে অপহরণ ও নাশকতা চালাচ্ছে। আদায় করছে মোটা টাকার মুক্তিপণ। অথচ পুলিশ তাদের না পারছে ধরতে, না পারছে স্থানীয় মানুষকে নিরাপত্তা দিতে।

শিকার জেটলিও
সাইবার-অপরাধের শিকার হলেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা অরুণ জেটলি। বিজেপি সূত্রে খবর, মাস কয়েক আগে জেটলি ও তাঁর ছেলে রোহনের ই-মেল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়। রোহনের অ্যাকাউন্ট থেকে কয়েকটি মেলও পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। সম্প্রতি মোবাইল সংস্থার কাছে জেটলির ফোনের কল-রেকর্ড চেয়ে একটি মেল যায়। সাধারণত, দিল্লি পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারের (এসিপি) চেয়ে কম পদমর্যাদার অফিসার কল-রেকর্ড চাইতে পারেন না। নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্ট এসিপিকে ফোন করে মোবাইল সংস্থা। এসিপি জানান, তাঁরা জেটলির কল-রেকর্ড চাননি। তার পরেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। জেটলি ও তাঁর ছেলের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার বিষয়টি জানা যায়।

গোয়েন্দা নিয়ে
গোয়েন্দা ব্যুরোর মতো গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে সংসদের নজরদারির অধীনে আনতে কেন্দ্রকে নোটিস পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। বিষয়টি নিয়ে অ্যাটর্নি-জেনারেল জি ই বাহনবতীর সাহায্য চেয়েছে প্রধান বিচারপতি আলতামাস কবীরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

বিতর্কে টুজি মামলার কৌঁসুলি

বিতর্কে জড়ালেন টুজি মামলার সরকারি কৌঁসুলি এ কে সিংহ। সোমবার ফোনে কথাবার্তার একটি টেপ প্রকাশ করেছে একটি বেসরকারি চ্যানেল। টেপে সরকারপক্ষের এক সাক্ষী আদালতে কী বলবেন তা নিয়ে মামলার অভিযুক্ত সঞ্জয় চন্দ্রের সঙ্গে সিংহ কথা বলেছেন বলে অভিযোগ। সিবিআই জানিয়েছে, সিংহকে ওই মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তও শুরু করেছে সিবিআই। সঞ্জয় চন্দ্রের সংস্থা ইউনিটেক জানিয়েছে, এ কে সিংহকে সঞ্জয় চেনেন না। সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

ডেটিং-এর ফাঁদে
ফেসবুকে মহিলার নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে ডেটিং-এর ফাঁদ পেতেছিল পুলিশ। সেই ফাঁদেই পা দিয়ে ধরা পড়ল চোর। পুলিশ জানায়, ধৃতের নাম বিজয় চৌধুরি(২৩)। নাগপুরের বাসিন্দা। মুম্বইয়ের একটি মোবাইলের দোকানে কাজ করত সে। গত ডিসেম্বরের ১৭ তারিখ দোকান মালিকের ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছিল। তার পর থেকেই বেপাত্তা ছিল।


First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.