বিসলাকে খেলানোই শেষ পর্যন্ত
ম্যাচের সেরা চাল হয়ে গেল

ড় ম্যাচে ধোনির ভাগ্য সব সময় ভাল। এ দিনও ফাইনালে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়ে গেল।

নাইটদের স্ট্র্যাটেজি
বালাজির চোটে বোলিং ক্ষতিগ্রস্ত হল। কিন্তু শাপে বর হয়ে ব্যাটিংটা দারুণ মজবুত হয়ে গেল। মনবিন্দর বিসলা এ বারে যে ক’টা সুযোগ পেয়েছিল তাড়াতাড়িই রান করেছিল। কিন্তু ফাইনালে যেটা খেলল সেটা ওর জীবনের সেরা ইনিংস। কোনও সন্দেহ নেই। একেক দিন এ রকম হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ম্যাকালামের বদলে বিসলাকে উইকেটকিপার হিসাবে খেলানোটা মাস্টার স্ট্রোক হয়ে গেল।

কালিসের অ্যাঙ্করিং ইনিংস
যখন বড় রান তাড়া করতে হয় তখন দু’জনে মিলে চালিয়ে খেলা যায় না। সেখানে কালিস অসাধারণ ইনিংস খেলল এক দিক ধরে রেখে। আমি সব সময়েই মনে করি, কালিস সোবার্সের পর সেরা অলরাউন্ডার। ফাইনালে ও খেলল ওর সমস্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে। প্রথমে এক-দুই করে নিয়ে, পরে সুযোগ পেয়ে চালাল।
লক্ষ্য ট্রফি। ফাইনালের আগে নাইটরা।

চেন্নাইয়ের বোলিং
নারিনের স্পিনকে অকেজো করতে পিচটা এমন বানানো হয়েছিল যেখানে কোনও স্পিন কাজ করছিল না। নারিন তো এ দিন ব্যর্থই। সেই সঙ্গে কাজ করল না চেন্নাইয়ের বোলারদের স্পিনও। জাকাতি এবং অশ্বিন কোনও প্রভাবই ফেলতে পারল না কালিস-বিসলার উপর।

প্রথম একাদশ
বোলিংয়ের দিক থেকে দেখলে বালাজির চোটটা পুরো টিমের ভারসাম্য নষ্ট করে দিয়েছিল। এতে বোলিংয়ের ওপেনিং কম্বিনেশনটা রইল না। যেটা বালাজি করছিল সাকিবের সঙ্গে। বালাজির লাইন-লেংথের পাশে সাকিবের স্লো বলগুলো খুব কার্যকরী হচ্ছিল। এ দিন যেটা ব্রেট লি-র কাছ থেকে পাওয়া গেল না। লি যে গতিতে বল করেছে, সেটা ব্যাটসম্যানদের পক্ষে আদর্শ ছিল। হাসি-মুরলী দু’জনেই ওকে মাথার উপর দিয়ে ছয় মেরেছে।
দুই, টিমটা একটা ছন্দে এসে গিয়েছিল। ফাইনালে সেটা নষ্ট হয়ে গেল। ম্যাকালামকে ওপেন থেকে সরে যেতে হল। বোলিংয়ের মতো ব্যাটিংয়ের ওপেনিং জুটিটাও ভেঙে গেল। জানি না সে জন্য কি না, তবে বড় রান তাড়া করতে নেমে গম্ভীরকে দেখলাম শুরু থেকেই চাপে রয়েছে। না হলে একেবারে শুরুতেই কেউ ও রকম ক্রস ব্যাটে চালায়। তবে ফাইনালে যে টিমটা নাইটরা এ দিন নামিয়েছিল, সেটাই ওদের সেরা একাদশ। অন্য কাউকে সুযোগ দেওয়ার জায়গা ছিল না।
হতাশ গম্ভীর।

নারিনের উপর অতিরিক্ত ভরসা
আমি কিন্তু জানতাম, নারিন চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে চিপকে সে ভাবে সফল হবে না। আসলে চিপকের উইকেটটা একেবারে পাটা বানানো হয়েছে। ইডেনে যেমন অফ স্পিনাররা একটু সাহায্য পায়, এখানে তার কোনও সুযোগ ছিল না। আর নারিনের জন্য চেন্নাই তৈরি ছিল। শুধু নারিন কেন, কেকেআরের বাকি দুই বাঁ হাতি স্পিনারও সে ভাবে কিছু করতে পারেনি। চেন্নাই টিমে বাঁ হাতি বোঝাই। তাই সাকিব বা আব্দুল্লাহ কেউ কার্যকর হয়নি।
বিধ্বংসী হাসি। সান্ত্বনা।

চেন্নাই ব্যাটিং
চেন্নাই ব্যাটিংয়ের সব থেকে জোরদার ব্যাপার হল, ওরা যদি শুরুটা ভাল করতে পারে, তা হলে বড় রান তুলে দেয় স্কোরবোর্ডে। এ দিন যেমন শুরুতে হাসি-মুরলী মিলে প্রায় একশো রান তুলে দিল ওপেনিং জুটিতে। যার ফলে সুরেশ রায়না এসেই চালাতে পারল। রায়নার ব্যাপারটা হল ও একেবারে ক্লিন হিটার। এ দিন যেমন নারিনকেও রেয়াত করেনি। ফর্মে না থাকলেও রায়নাকে খেলিয়ে গিয়েছে ধোনি। যার ফলটা ফাইনালে পেল।

ছবি: উৎপল সরকার




First Page| Calcutta| State| Uttarbanga| Dakshinbanga| Bardhaman| Purulia | Murshidabad| Medinipur
National | Foreign| Business | Sports | Health| Environment | Editorial| Today
Crossword| Comics | Feedback | Archives | About Us | Advertisement Rates | Font Problem

অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনও অংশ লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি
No part or content of this website may be copied or reproduced without permission.